নেপালে উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স।
বুধবার বিকাল পাঁচটায় সাংবাদিকদেরকে প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার কামরুল ইসলাম বলেন, ত্রিভুবন কন্ট্রোল টাওয়ারের দোষ না থাকলে কেন তাদের বদলি করা হলো?
এর আগে, উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছয় কর্মকর্তাকে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের (এটিসি) কার্যালয় থেকে বদলি করা হয়।
দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ওই ছয় কর্মকর্তার মানসিক আঘাত প্রশমনে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।
এছাড়াও এয়ারলাইন্সটির কেবিন ক্রু নাবিলার পুরো নাম শারমিন আক্তার জানিয়ে ইউএস বাংলা জানায়, মৃতদের তালিকায় তার নাম আছে।
দুর্ঘটনায় শারমিন আক্তার নাবিলা বেঁচে আছেন, না মারা গেছেন তা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছিল। প্রথম দিকে তার মৃত্যুুর খবর প্রচার করা হলেও পরে ক্রু নাবিলা বেঁচে আছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়।
কামরুল ইসলাম বলেন, ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান নাকি পৃথুলা রশিদ তার প্রথম ল্যান্ডিং পরিচালনা করছিলেন এ প্রশ্নের উত্তর সিভিয়ার ও ব্ল্যাকবক্স পর্যালোচনা শেষেই জানা যাবে।
উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রথমেই মৃত্যু হয় ওই ফ্লাইটের সহকারি পাইলট এবং ইউএস বাংলার প্রথম নারী পাইলট পৃথুলা রশিদের। আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় পাইলট ক্যাপ্টেন আবিদকে। মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ক্যাপ্টেন আবিদও মারা যান।
দু’একদিনের মধ্যে ইউএস বাংলা নেপালে নিজস্ব মেডিকেল টিম পাঠাবে জানিয়ে বলা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ডেডবডি যখনই সে দেশের ছাড়পত্র পাবে দেশে আনা হবে।
ব্ল্যাক বক্স তদন্ত করে সার্বিক বিষয় জানানো হবে বলেও জানান কামরুল।
সোমবার ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বোমবার্ডিয়ার ড্যাশ ৮কিউ৪০০ উড়োজাহাজটি ঢাকা থেকে ছেড়ে গিয়ে দুপুর ২টা ২০মিনিটে নেপালে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণ করার সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়।
উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৫১। এর মধ্যে ২৮ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালি এবং ১ জন চীনা নাগরিক। চিকিৎসাধীন যাত্রীদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
উড়োজাহাজটিতে থাকা ৬৭ যাত্রীর মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশী, ৩৩ জন নেপালি, একজন মালদ্বীপের এবং একজন চীনের নাগরিক। উড়োজাহাজটিতে ৬৭ যাত্রীর পাশাপাশি ৪ জন ক্রু ছিলেন বলে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
দুর্ঘটনায় প্রথমেই মৃত্যু হয় ওই ফ্লাইটের সহকারি পাইলট এবং ইউএস বাংলার প্রথম নারী পাইলট পৃথুলা রশিদের। আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় পাইলট ক্যাপ্টেন আবিদকে। মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ক্যাপ্টেন আবিদও মারা যান।







