ব্যাট হাতে নামা আট ব্যাটসম্যান যখন ব্যর্থ, তখন পাকিস্তানের বিপক্ষে একাই বুক চিতিয়ে লড়লেন রুমানা আহমেদ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিফলে তার লড়াই। রুমানার ফিফটির পরও ১৪ রানে হার মানতে হয় বাংলাদেশকে। ফলে প্রথম ম্যাচ জিতে তিন টি-টুয়েন্টির সিরিজে ১-০তে এগিয়ে থাকল স্বাগতিক পাকিস্তান।
প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৬ রান করে পাকিস্তান। জবাবে ৭ উইকেটে ১১২ রানের বেশি যেতে পারেননি বাংলাদেশ।
১২৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৬ রানেই দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। সানজিদা ইসলাম (১৪) এবং নিগার সুলতানা (১৭) কিছুটা চেষ্টা করলেও বেশিদূর যেতে পারেননি। স্কোরবোর্ড হাফসেঞ্চুরি ছোঁয়ার আগেই উইকেট হারানোর হালি পূর্ণ করে বাংলাদেশ।
এরপরই অবশ্য শুরু হয় রুমানার লড়াই। ৩০ বলে ছয় চার ও দুই ছক্কায় ৫০ রান করলেও সঙ্গীর অভাবে বাকি কাজটা শেষ করতে পারেননি তিনি। দুই দলের মধ্যে একমাত্র হাফসেঞ্চুরি করা ব্যাটসম্যানও তিনি। পাকিস্তানের টাইট বোলিংয়ের সামনে পরের চার ব্যাটসম্যানের কেউই দুঅঙ্ক স্পর্শ করতে না পারায় প্রথম ম্যাচে ১৪ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।
দুই উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সেরা বোলার আনাম আমিন। তিনি ছাড়াও বল করা বাকি পাঁচজন রান আটকানোর সঙ্গে প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।
এরআগে বল হাতে শুরুটা দারুণ করে বাংলাদেশ। চার রানের সময় প্রথম উইকেটের পর স্কোরবোর্ডে ১৫ রান জমা হতেই দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেয় সফরকারীরা। কিন্তু তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৬০ রান তুলে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। যার বড় অবদান অধিনায়ক বিসমাহ মারুফের। ২৯ বলে ৩৪ রান করেন তিনি। ৩৩ রান করে অধিনায়ককে সঙ্গ দেন উমাইমা সোহাইল।
এই জুটি ভেঙে পাকিস্তানের রানের চাকা আবার টেনে ধরে বাংলাদেশ। কিন্তু ইরাম জাভেদের ২৭ রানে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে ফেলে স্বাগতিকরা। শেষদিকে ৫ বলে ১৬ রান করে বাংলাদেশের জন্য টার্গেটটা চ্যালেঞ্জিং করে তোলেন সিদরা নওয়াজ। সালমা খাতুনের শেষ ওভারে চারটি চারসহ ১৭ রান নেয় পাকিস্তান।
বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার জাহানারা আলম। চার ওভারে ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া পান্না ঘোষ, লতা মন্ডল ও রুমানা আহমেদ প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।
এই ম্যাচে হারলেও একদিন পর সমতা ফেরানোর সুযোগ থাকছে বাংলাদেশের সামনে। ২৮ অক্টোবর একই ভেন্যু, অর্থাৎ লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে মাঠে নামবেন সালমা-জাহানারারা।







