নভেম্বরে শুরু হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পঞ্চম আসর। তবে এবারের আসরে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। কারণ একই সময় চলবে পাকিস্তানের নিজের ঘরোয়া টি-টুয়েন্টি আসর। শুধু বিপিএল নয়, সিডিউল ঝামেলায় পাকিস্তানিদের নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে সাউথ আফ্রিকার গ্লোবাল লিগও।
ন্যাশনাল টি-টুয়েন্টি কাপের সময়সূচী পাকিস্তান ক্রিকেটে দ্বিতীয়বারের মত অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করল। গত মাসের ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া জাতীয় টি-টুয়ন্টি কাপে অংশগ্রহণের জন্য পিসিবি তাদের ১৩ জন খেলোয়াড়ের এনওসি (নো অবজেকশন লেটার) প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
পাকিস্তানের ন্যাশনাল টি-টুয়েন্টি কাপ ৪-১৯ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে, যা বিপিএল এবং গ্লোবাল টি-টুয়েন্টি উভয়ের সম্পূর্ণ সংঘর্ষিক। বিপিএল ২ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। আর গ্লোবাল লিগ ৩ নভেম্বর শুরু হয়ে ১৬ ডিসেম্বর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
পিসিবি ইতিমধ্যেই তাদের লিগের জন্য একটি খসড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ফেলেছে এবং গত মাসে থেকেই খেলোয়াড় নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ চলেছে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে। তাদের সব স্পনসরশিপ বিক্রি হয়ে গেছে, যার মানে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন থেকে পিসিবি কখনোই সরে আসবে না।
এমন অবস্থায় পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ঘরোয়া লিগে অংশ নেবেন। পাকিস্তানের মিডিয়া পরিচালক আমজাদ হোসেন ইএসপিএন ক্রিইনফোকে বলেন, ‘আমি বলতে পারি, ক্রিকেটাররা অবশ্যই ঘরোয়া জাতীয় লিগকে প্রাধান্য দেবেন।’
যদিও এখনো বিপিএলের বিদেশী ক্রিকেটারদের তালিকা প্রস্তুত হয়নি। তবে শহিদ আফ্রিদি ও জুনায়েদ খান ইতিমধ্যে টূর্নামেন্টের জন্য ইতিবাচক সংকেত দিয়েছেন। দলের সাথেও চুক্তিও করে ফেলেছেন। এবারের আসরে শহিদ আফ্রিদির খেলার কথা ঢাকা ডায়নামাইটসে।








