ব্যবহারকারীকে না জানিয়ে ৫ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য একটি রাজনৈতিক পরামর্শক সংস্থাকে সরবরাহ করার অভিযোগ ওঠার পর থেকে বিপদের মুখে রয়েছে ফেসবুক।
রাজনৈতিক পরামর্শক সংস্থার দ্বারা ৫ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য অপব্যবহারের এই অভিযোগের তদন্তভার এখন মার্কিন ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) হাতে।
২০১৬ সালে মার্কিন নির্বাচনে ক্যাম্ব্রিজ অ্যানালাইটিকাকে (সিএ) ভাড়া করা হয়েছিলো ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার জন্য। আর সেই সময়েই এই সংস্থাটি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের না জানিয়ে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে।
সংস্থাটির প্রধান অ্যালেক্সান্ডার নিক্সকে এই অভিযোগের পরই বরখাস্ত করে কোম্পানিটির বোর্ড। তবে এই ঘটনায় কোনো ভুল কিছু করেছে বলে মনে করছে না সিএ।
এরই মধ্যে ধস নেমেছে ফেসবুকের শেয়ারে। ব্রিটিশ ও ইউরোপিয়ান সংসদ ফেসবুক প্রধান মার্ক জাকারবার্গকে তলব করেছেন এই বিষয়ে সঠিক প্রমাণাদি দেওয়ার জন্য। এই কঠিন সময়ে ক্যালিফোর্নিয়ার হেডকোয়ার্টারে মঙ্গলবার কর্মীদের এক ব্রিফিংয়েও অংশ নেননি মার্ক জাকারবার্গ।
এর আগে ফেসবুক বা মার্ক জাকারবার্গের বিষয়ে কোনো সমালোচনা খুব বেশি উচ্চকিত হয়নি বা ক্ষোভ ছড়ায়নি।
পরামর্শক সংস্থাটির সাবেক কর্মী ক্রিস্টোফার ওয়াইলি সিএর বিপক্ষে অভিযোগ তুলেছেন, ফেসবুক ‘এটাই তোমার ডিজিটাল জীবন’ নামে একটি পার্সোনালিটি কুইজ তৈরি করে বিশাল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ করে। কুইজে ২ লাখ ৭০ হাজার মানুষের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এর মাধ্যমে অন্তত ৫ কোটি মানুষের তথ্য সংগ্রহ করা হয় বন্ধুদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।
তিনি বলেন, এসব তথ্য পরে সিএর কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেই তথ্যগুলো দিয়ে পরে মানুষের মানসিক অবস্থা বিশ্লেষণ করা হয় এবং তাদের ট্রাম্পের স্বপক্ষে কিছু উপাদান সরবরাহ করা হয়। সেসবই পরে ২০১৬ সালের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করে।
যদিও সিএর দাবি তারা পদ্ধতি মেনেই তথ্যগুলো সংগ্রহ ও ব্যবহার করেছেন কিন্তু সেই বক্তব্য অস্বীকার করেছে ফেসবুক।







