বিদ্যুৎ স্থাপনায় নাশকতা করলে অনধিক ৭ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রেখে বিদ্যুৎ আইন-২০১৬ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই বৈঠকে অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যুতের চুরি ও অপচয় রোধে গোয়েন্দা সেল গঠন করার বিধানও আছে প্রস্তাবিত আইনে। এতে একজন প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শক পদ সৃষ্টি করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ইংরেজিতে করা আইনগুলোকে বাংলায় করার বিধান রয়েছে। সেই আলোকে ১৯১০ সালের বিদ্যুৎ আইনকে হালনাগাদ করে নতুন এ আইন করা হচ্ছে।১৯১০ সালে বিদ্যুৎ যে অবস্থায় ছিল ২০১৬ সালে এসে সেই অবস্থায় নেই। মূল আইনকে ভিত্তি ধরেই এ আইন করা হয়েছে। আগের আইনের কলেবর বাড়ানো হয়েছে। কিছু বিষয় যুক্ত করা হয়েছে, কিছু বিষয় বাদও দেওয়া হয়েছে।
নতুন আইনে প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে জানিয়ে শফিউল বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া-নেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত করতে এই পদ সৃষ্টি করা হবে।সারা দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সমন্বিত আকারে পরিচালনায় সরকার ইনডিপেনডেন্ট সিস্টেম অপারেটর (আইএসও) প্রতিষ্ঠা করবে। সারা দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এর আওতায় আসবে। এ অপারেটর বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রবাহ তদারকি, শিডিউলিং ও লোড সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করবে।
জুনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অংশগ্রহণে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা পরিষদের শান্তিরক্ষা মিশন নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক সম্পর্কে বিস্তারিত মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়েছে।







