বিক্ষোভকারী বা আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে করা রিটটি হাইকোর্টের রোববারের (৪ আগস্ট) কার্যতালিকায় এসেছে।
শনিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা যায় বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চের রোববারের কার্যতালিকার ১০ নম্বর আইটেমে বিষয়টি (ফর অর্ডার) আদেশের জন্য রয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানজুর আল মতিন প্রীতম ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি একটি রিট করেন। এই রিটে ‘আন্দোলনকারী বা বিক্ষোভকারীদের রাস্তায় নামার আশংকা’র কথা উল্লেখ করে তাদের ওপর প্রাণঘাতী গুলি না চালানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়। সেই সাথে এই রিটে কোটা বিরোধী আন্দোলনের ৬ জন সমন্বয়কের ডিবি হেফাজত নেয়াকে বেআইনি উল্লেখ করে তাদের মুক্তির নির্দেশনা চাওয়া হয়।’
একপর্যায়ে সোমবার ও মঙ্গলবার এই রিটের আংশিক শুনানি শেষে পরবর্তী শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করা হয়। মঙ্গলবার শুনানিতে দুই বিচারপতির হাইকোর্ট বেঞ্চ বলেন, ‘সমস্ত মৃত্যুই আমাদের জন্য দু:খজনক। আমরা এমন কোন কাজ করবো না, যাতে জাতির ক্ষতি হয়।’
তবে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চের অপর বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলন অসুস্থতার কারনে ছুটি নেয়ায় দ্বৈত বেঞ্চ বসেনি। কেবলমাত্র বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের একক বেঞ্চ পরিচালনা করেন বলে জানান বেঞ্চ অফিসার রেজাউল করিম।
হাইকোর্টে এই রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন, আইনজীবী অনিক আর হক, আইনজীবী মানজুর আল মতিন প্রীতম ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি। আর রাষ্ট্রপক্ষে সোমবার ও মঙ্গলবার শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনির, শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ ও মেহেদী হাসান চৌধুরী। বুধবার আদালতে এসেছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। এছাড়া এই রিটের শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, নূরুল ইসলাম সুজন, মমতাজ উদ্দিন ফকির, আজহার উল্লাহ ভুইয়া ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক শাহ মনজুরুল হক।









