প্রবীণ রাজনীতিক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গণি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তিনি হৃদরোগ ও বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।
বিএনপির এই প্রবীণ নেতার মৃত্যুতে দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শোক প্রকাশ করেছেন।
ড. আর এ গণি গত ৬ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে থাইল্যান্ড নেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বিদেশে নেয়া সম্ভব হয়নি। পরে তাকে ওই হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
গত বুধবার রাত ১০টায় শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছিলো।
শুক্রবার হাসপাতাল থেকে আর এ গণির মরদেহ ধানমন্ডির বাসায় আনার পর শেষ বারের মতো দেখতে আসেন সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ীরা।
বাদ জুমা ধানমন্ডির ঈদগাহ মাঠে তাঁর প্রথম নামাজে যানাজা হয়েছে। পরে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দ্বিতীয় এবং সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তৃতীয় জানাজার পর বনানী কবরস্থানে চির নিদ্রায় শয়ান আর এ গণির।
প্রকৌশলী আর এ গণি বিএনপি প্রতিষ্ঠার সময়ের সদস্যদের অন্যতম। ১৯৭৯ সালে তিনি গাইবান্ধা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।







