আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বর্তমান সরকারের মন্ত্রী-এমপিসহ প্রত্যেকের দুর্নীতির শ্বেতপত্র তৈরি করা হবে এবং বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এনপিপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব বলেন।
মওদুদ বলেন, উন্নয়ন আর সভ্যতা এক নয়। এ উন্নয়নে সরকারের কোন কৃতিত্ব নাই। পোশাক শিল্প, বিদেশি রেমিট্যান্স এবং কৃষক সমাজে প্রবৃদ্ধি আমরা যা রেখে এসেছিলাম তেমনই আছে। যেদিন আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতে রাজধানীতে নৌকা চলবে না, সেদিন বলবো আপনারা উন্নয়ন করেছেন।
দুর্নীতির জন্য খালোদা জিয়াকে সাজা দেয়া হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, যতো কৌশলই করা হোক না কেন বেগম জিয়া মুক্তি পাবেন এবং যেদিন তিনি ফিরে আসবেন সেদিন তার জনপ্রিয়তা আগের তুলনায় দ্বিগুণ হবে।
মওদুদ বলেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন কমিশন নাকি কর্তৃত্ব গ্রহণ করবেন। তফসিল ঘোষণার পর যে তারা দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তা একেবারেই সম্ভব নয়। আগে থেকেই নির্বাচনী কর্মকাণ্ড পরিচালনা শুরু করতে হবে।
‘দেশের মানুষ সব বুঝে, সব জানে। একবার যদি ব্যালট বক্স হাতে পায় দেশের মানুষ আপনাদেরকে উচিত শিক্ষা দেবে। এ সরকার শেষ সরকার নয়। একদিন যেতেই হবে’।
মওদুদ বলেন, বিরোধী দল করি বলেই আমার বাড়ি নিয়ে গেছে। বিরোধী দল না করলে আমার কিছুই হতো না। আমি এ সরকারের অধীনে ২ বার জেলে গিয়েছি। আমি জীবনে ৮বার জেলে গিয়েছি। জেল আমাদের কোন বিষয় নয়।
জাতীয় প্রেসক্লাবের অপর এক আলোচনা সভায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপি এমন নিয়মতান্ত্রিক পথে চলবে সে পথ গণতন্ত্রের পথ। নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে।
খসরু বলেন, শেখ হাসিনা জনসভা করে জনগণকে ওয়াদা করাচ্ছেন যেন নৌকায় ভোট দেয়। তাহলে আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব’ সে কথা কি ভুলে গেছেন? এর মাধ্যমে জনগণের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ খসরু।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদ আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।







