বিএনপি চেয়াপারসনের উপদেষ্টা এবং সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের নামাজে জানাযা হয়েছে। সকালে নয়াপল্টনে তার প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় অংশ নিয়ে বিএনপি নেতারা বলেছেন, বিএনপি এক ত্যাগী নেতাকে হারিয়েছে, তার মৃত্যু জাতীয়তাবাদী শক্তির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
দলের মহসিচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “ছাত্র আন্দোলন, স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তীকালে গণতন্ত্রের জন্য তার যে সংগ্রাম নিঃসন্দেহে তা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বাংলাদেশের ইতিহাসে।”
পরে ফজলুর রহমান পটলের জানাযা অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সেখানে আওয়ামী লীগ নেতা শামসুল হক টুকু বলেন, “ বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর ১৯৭৯ সালে তিনি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে সাড়া দেন। সেসময় থেকে তিনি যে দলই করুন, তার রাজনৈতিক ব্যবহার, আচার-আচরণ, জণগণের প্রতি তার ভালবাসার কোন কমতি ছিলো না।”
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ রাকসুতে ছাত্রলীগ থেকে ভিপি হয়েছিলেন ফজলুর রহমান পটল। পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে নাটোর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনবার। চারদলীয় জোট সরকারের সময় ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। কিছুদিন আগে ঘোষিত কমিটিতে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হয়েছিলেন ফজলুর রহমান পটল।
বেশ কিছুদিন ধরেই কিডনি জটিলতাসহ বেশ কিছু রোগে ভুগছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার এক হাসপাপতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। শনিবার রাতে তার মরদেহ ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। নাটোরে নামাজে জানাযার পর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।










