রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধি দলের আলোচনার পর বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জানিয়েছে বঙ্গভবন।
গণমাধ্যমে পাঠানো রাষ্ট্রপতি সহকারী প্রেস সচিব মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজকের আলোচনা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, সার্চ কমিটি ও নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিএনপি যে প্রস্তাব দিয়েছে তা নির্বাচন কমিশন গঠনে সহায়ক হবে।
“এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সহায়তা কামনা করে বলেছেন, যে কোনো আলোচনা সমস্যা সমাধানে বহুমুখী পথ দেখায়।”
রোববার বিকালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তিনটি প্রস্তাব দেন। এসময় বিএনপির প্রতিনিধি দলকে বঙ্গভবনে স্বাগত রাষ্ট্রপতি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আলোচনায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। বৈঠকে বাছাই কমিটি ও নির্বাচন কমিশন গঠনে বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির প্রস্তাব তুলে ধরেন।
“এছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন ও নির্বাচন কমিশন শক্তিশালীকরণেও তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেন। তারা ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এ ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের কথা জানান।”
বিএনপির প্রতিনিধিদলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব:) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মো: সরোয়ার হোসেন এবং প্রেস সচিব মো: জয়নাল আবেদীন এসময় উপস্থিত ছিলেন।








