বিএনপিই সংলাপের পথ বন্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি।
মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভা ও সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, কোকোর মত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে সহমর্মিতা জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে বাধা দেওয়া হয়। এর মধ্যদিয়েই সংলাপের পথ বিএনপিই বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের মুখে এখন সংলাপের কথা মানায় না।
তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর ও আমেরিকার আদালতে ইতোমধ্যে তারেক রহমানের মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের রাজ পরিবারের গ্রেফতারকৃত সদস্যদের স্বীকারোক্তিতেও খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অস্তিত্ব মিলেছে। বিএনপি জনগণকে কি দেখাবে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, বিএনপির সময় দেশ ছিল দুর্নীতিতে নিমজ্জিত।
বক্তৃতাকালে ওবায়দুল কাদের জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে কোন সমস্যা নেই। সমস্যা মঞ্চে বসা নেতাদের মধ্যে। এখনই সতর্ক হোন। নইলে বিপদ আছে। বড় বড় বিল বোর্ড, বড় বড় ব্যানারে ছবি টাঙিয়ে অথবা ঢাকায় বসে থেকে মনোনয়ন পাওয়া যাবে না। মনোনয়ন হবে জনগণ ও দলীয় কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে। যারা ঢাকায় থাকেন, তারা সাতক্ষীরায় ফিরে আসেন। জনগণের সাথে মেশেন। আওয়ামী লীগের কর্মীদের পাশে দাঁড়ান।
চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা যাতে আওয়ামী লীগের সদস্য না হতে পারে- সে সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতায়, তাই অনেকেই আসবে। কিন্তু ক্ষমতায় না থাকলে পাঁচ হাজার ওয়াটের বাল্ব জ্বালিয়েও তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।
মন্ত্রী সাতক্ষীরাবাসী উদ্দেশ্যে বলেন, সব রাস্তার টেন্ডার হয়ে গেছে। আগামী জুনের মধ্যে আপনারা বাস্তবে দেখতে পাবেন। আমি যে প্রতিশ্রুতি দেই তা পূরণ করি।








