রাশিয়া বিশ্বকাপে পানামাকে ৬-১ গোলে বিধ্বস্ত করে শেষ ষোলোর টিকিট কেটেছে ইংল্যান্ড। একইদিনে ওয়ানডে ক্রিকেটে ইতিহাস গড়েছে তাদের ক্রিকেট দল। ম্যানচেস্টারে জস বাটলারের মহাকাব্যিক সেঞ্চুরিতে সিরিজের পঞ্চম ম্যাচটিও জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ড।
এক উইকেটের নাটকীয় জয়ে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ (৫-০) করার স্বাদ পেয়েছে ইয়ন মরগ্যানের দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: অস্ট্রেলিয়া- ২০৫ (৩৪.৪ ওভার), ইংল্যান্ড- ২০৮/৯ (৪৮.৩ ওভার)
পুরো সিরিজে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত খেলা ইংল্যান্ডকে শেষ ম্যাচেও জয়ের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন বোলাররা, অজিদের মাত্র ২০৫ রানে আটকে রেখে। আগের ম্যাচে ৩১০ রান তাড়া করে ৬ উইকেটে জয় পাওয়া দলটির জন্য দুইশ ছোঁয়া লক্ষ্যই কঠিন হয়ে ওঠে শুরুর ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায়।
১১৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বসা ইংলিশদের হয়ে একপ্রান্ত আগলে রেখে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান বাটলার। জয়সূচক বাউন্ডারি মেরে এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান যখন উদযাপনে মাতেন, নামের পাশে তখন অপরাজিত ১১০ রান। ১২২ বলের ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও একটি ছয়ের মার।
শেষ ম্যাচে ৮৬ রানে ৬ উইকেট হারানো ইংল্যান্ডের হার সময়ের ব্যাপার মনে হলেও ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দেন বাটলার একাই। সপ্তম উইকেটে কুরানকে (১৫) নিয়ে ২৮ রানের একটি জুটি গড়ে দলীয় শতরান পার করেন বাটলার। ম্যাচ জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে আদিল রশিদকে নিয়ে নবম উইকেটে ৮১ রানের দুর্দান্ত জুটিটি।
জয় থেকে ১১ রান দূরে যখন ইংল্যান্ড তখন রশিদ ৪৭ বলে ২০ রান করে বিদায় নিলে আবার ম্যাচ চলে যায় অস্ট্রেলিয়ার দিকে। শেষ ব্যাটসম্যান জ্যাক বলের ১০ বলে ১ রানের অবদানও ম্যাচ জয়ে রাখে ভূমিকা। জয় থেকে ইংলিশরা যখন ২ রান দূরে, মার্কাস স্টয়নিসের ৪৯তম ওভারের তৃতীয় বলে কাভার দিয়ে চার মারেন জয়ের নায়ক বাটলার।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরুর পরও ২০৫ রানের বেশি তুলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের ১৫.২ ওভার আগেই অলআউট হয় তারা। ৬.৩ ওভারে ৬০ রান তুলে বড় সংগ্রহের আভাস দিয়েছিলেন দুই অজি ওপেনার।
১৭ বলে ২২ রান করে অ্যারন ফিঞ্চ সাজঘরে ফেরার পরই ছন্দ হারায় অস্ট্রেলিয়া। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহ গড়া হয়নি।
আরেক ওপেনার ট্রাফিস হেড করেন দলের ৪২ বলে ৫৬ রান। ডি আরচি শর্ট অপরাজিত ৪৭, অ্যালেক্স ক্যারি করেন ৪৪ রান।
মঈন আলি নেন চার উইকেট। দুটি উইকেট নেন স্যাম কুরান। লিয়াম প্লাঙ্কেট ও আদিল রশিদ নেন একটি করে উইকেট।







