২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের শুরুতে ৬ মিনিটের পাওয়ার পয়েন্টে প্রেজেন্টেশনে সরকারের গত সাত বছরের সাফল্য তুলে ধরা হয়। বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির অর্জন দিয়ে শুরু হওয়া ওই উপস্থাপনায় একে একে উঠে আসে মহাজোট সরকারের গত সাত বছরের সাফল্য।
দেশ সহস্রাব্দ লক্ষ্যমাত্র অর্জনের পাশাপাশি দেশ থেকে ক্ষুধা, মাতৃমৃত্যুর হার কমা, দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭০.৭ বছরে উন্নিত হওয়ার মতো সাফল্য তুলে ধরা হয়।
দেশের মোট খাদ্য উৎপাদনের পরিমান ৩ শত ৯০ লাখ মেট্রিকটন উল্লেখ করে বলা হয়: দেশ এখন আর কোন মানুষ ক্ষুধার্ত নয়। ইতিমধ্যে আমরা নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে ওঠে এসেছি। সামনে আর বেশি সময় নেই যখন আমরা মধ্য আয়ের দেশের তালিকায় ওঠে আসবো।
দেশে আগের যেকোন সময়ের থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমান বেশি। ঘাড়তি মেটাতে ইতিমধ্যে ১৪ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রতিদিন উৎপন্ন হচ্ছে। দেশের প্রবৃদ্ধি ইতিমধ্যে ৭.০৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি এখন ৬ শতাংশের নিচে।
দেশের আমদানি-রপ্তানি পরিবেশও আগের যেকোন সময়ের থেকে ভালো বলে উপস্থাপনায় ওঠে আসে। শেষ অর্থ বছরে, রপ্তানির পরিমান ছিলো ২৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আমদানির পরিমান ২১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
দেশের রিজার্ভের পরিমান ২৮.৪ মার্কিন ডলার। দেশ তথ্য প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে বলা হয়: দেশে এখন ১৩ কোটির মতো মোবাইল সিম চালু আছে। এছাড়া ৬ কোটিরও বেশি মানুষ ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে সমগ্র বিশ্বের কাছে অনুকরণীয় দৃষ্টান্তে পরিনত হয়েছে বলে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে উল্লেখ করা হয়।








