‘আর্জেন্টিনার শতাব্দীর সেরা বিয়ে’ উপলক্ষে অধীর অপেক্ষা ছিল পুরো বিশ্বের। অপেক্ষাটা ছিল খোদ লিওনেল মেসিরও। অবশেষে সব প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। দীর্ঘদিনের বান্ধবী আন্তনেল্লা রোকুজ্জোকে আনুষ্ঠানিক ভাবে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে ঘরে তুলেছেন ফুটবল জাদুকর।

বিখ্যাত পোশাক ডিজাইনার রোজা ক্লারার নকশায় সাদা গাউনে বিয়ের সাজে সজ্জিত রোকুজ্জোকে নিয়ে হাজির হোন মেসি। তিনি নিজে পরেছিলেন সাদা শার্টের ওপর কালো স্যুট-প্যান্ট।

যে রোজারিওতে জন্ম, বেড়ে ওঠা, রোকুজ্জের সঙ্গে প্রথম দেখা, পরিণয়, সেই প্রিয় শহরের সিটি কমপ্লেক্স হোটেলে বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোর ৪টায় অনুষ্ঠিত হয় মেসির বিয়ে। পুরো আর্জেন্টিনা দলসহ বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন বার্সা মহাতারকার ২১ জন সাবেক-বর্তমান সতীর্থ। বিয়েতে মোট ২৬০ জন অতিথিকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন মেসি।

বন্ধুর বিয়ে উপলক্ষে রোজারিওতে উপস্থিত হন কার্লোস পুয়োল, সেস ফ্যাব্রেগাস, জাভি, স্যামুয়েল ইতো, দানি আলভেজদের মত সাবেক বার্সা তারকা। বর্তমানদের মধ্যে নেইমার, জর্ডি আলবা, লুইজ সুয়ারেজরাও ছিলেন।

অতিথিদের থাকার ব্যবস্থা ছিল হোটেলের ১৮৮টি রুম জুড়ে। বিয়ের অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পরিচালনা করার জন্য সাধারণ অতিথিদের প্রবেশ অধিকার ছিল না বিয়েতে। হোটেলের আশেপাশে ৩৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে রোজারিও প্রশাসন।

সাবেক-বর্তমান সতীর্থদের বিয়েতে দাওয়াত করলেও সাবেক কোচ লুইস এনরিকে এবং আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনাকে আমন্ত্রণ করেননি মেসি। ১৫০ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন বিয়েতে, তবে তাদের বিচরণের জায়গাও নির্ধারিত করে দেয়া ছিল।

মাত্র পাঁচ বছর বয়সে রোকুজ্জের সঙ্গে দেখা হয় মেসির। ১৩ বছরে বয়সে বার্সেলোনায় পাড়ি জমালেও মন দেওয়া-নেওয়াটা ঠিকই চালিয়ে গেছেন তারা। দীর্ঘদিন এক ছাদের নিচে থেকেছেন। সংসারে আছে ৫ বছর বয়সী থিয়াগো এবং ২ বছরের মাত্তেও নামের দুই ফুটফুটে শিশুপুত্র।







