১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ শুক্রবার, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল যখন মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে তখন ঢাকায় তিন ঘন্টার হামলায় সামরিক স্থাপনা লন্ডভন্ড করে দেয় মিত্র বাহিনীর জঙ্গি বিমান।
আশুগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তুমুল যুদ্ধে ধরাশায়ী হয় পাকিস্তানী বাহিনী। পালিয়ে যায় ভৈরবের দিকে। পালানোর পথে ভেঙ্গে দেয় ভৈরব সেতুর একাংশ।
এদিন টাঙ্গাইল শহরেও ঘিরে ফেলে মুক্তিযোদ্ধারা। উত্তরে রসুলপুরে নামে মিত্র বাহিনীর দু’হাজার ছত্রী সেনা। টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার দিকে পালাতে থাকে পাকিস্তানী সেনারা। এদিন যুদ্ধ বিরতির আয়োজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতা হস্তান্তর এবং সৈন্য সরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব জানান পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ডাক্তার আব্দুল মোতালেব মালেক।
তবে পাকিস্তানী সৈন্যদের সাহায্য করতে বঙ্গোপসাগরের দিকে মার্কিন সপ্তম নৌবহর এগিয়ে আসছে এমন খবরে ওই প্রস্তাব নাকচ করে দেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান। ঘোষণা দেন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার।
ডিসেম্বরের এ সময়ে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর একেরপর এক বিজয়ে পরিস্কার হতে থাকে বাঙ্গালীর চূড়ান্ত বিজয়ের আর খুব বেশী দেরি নেই।






