৪৪ বছর আগের ফকল্যান্ড যুদ্ধের রেশ নিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আটলান্টায় ম্যাচের প্রথমার্ধ যেন পরিণত হয়েছিল শারীরিক। মাঠের লড়াইয়ে কোনো দলই গোলের সুযোগ তৈরি করতে না পারলেও প্রথমার্ধে দেখা গেছে ফাউলের ছড়াছড়ি।
মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে বল দখলে অবশ্য আধিপত্য দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। ৫৫ শতাংশ বল নিয়ন্ত্রণে রেখেছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে আক্রমণভাগে ছিল না কোনো নৈপুণ্য, একই অবস্থা ইংলিশদেরও। গোলশূন্য প্রথমার্ধে লিওনেল মেসি ও হ্যারি কেইনরা কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি।
প্রথমার্ধ শেষে দুই দল মোট ১৯টি ফাউল করেছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা করেছে ১২টি, বাকি ৭টি ইংল্যান্ডের। তবে রেফারি বেশ সংযত ছিলেন। মাত্র দুজনকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন তিনি। ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন এবং আর্জেন্টিনার লিসান্দো মার্টিনেজ হলুদে কার্ড দেখেন।
৩৫ মিনিটে বিপজ্জনক জায়গা থেকে ইংল্যান্ডের ফ্রি কিক ঠেকাতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। দুই মিনিট পর ইংল্যান্ডের ফাইনাল থার্ডে তিন চারজন খেলোয়াড়ের বাধার মুখে পড়েন মেসি। এলিয়ট অ্যান্ডারসন তাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন। ফ্রি কিক থেকে মেসির পাস ধরে ইংল্যান্ডের বক্স থেকে ফিরে আসা বলে শট নেন এনজো ফের্নান্দেজ। ৩৯ মিনিটে নেয়া তার শক্তিশালী শট অল্পের জন্য গোলবারের ওপর দিয়ে যায়।
তিন মিনিট পর মরগান রজার্সকে পেছন থেকে টেনে ধরে হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। প্রথমার্ধে কোনো দলই সুযোগ তৈরি করতে না পারায় দুদল বিরতিতে গেছে গোলশূন্য সমতায়।









