বাঙ্গালীদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালায় বিহারীরা

বাঙালীর গর্বের, গৌরবের মাস মার্চ। এই মাসেই ঘোষিত হয় বাঙালীর স্বাধীনতা,
বাংলাদেশ নামের একটি নতুন দেশের স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাঙালী ঝাঁপিয়ে
পড়ে মুক্তির মরণপণ লড়াইয়ে। স্মৃতির মণিকোঠা থেকে ১৯৭১ এর মার্চের সেই দিনগুলোকে সবার কাছে তুলে ধরতে চ্যানেল আইয়ের আয়োজন, উত্তাল মার্চের এই দিনে।
রাত ১২টার পর থেকে শুরু করে ২৪শে মার্চ সকাল পর্যন্ত সৈয়দপুর সেনানিবাসের পাশের বোতলাগাড়ি, গোলাহাট ও কুন্দুল গ্রাম ঘেরাও করে অবাঙ্গালি বিহারীরা ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। সৈয়দপুর ছাড়াও চট্টগ্রাম ও ঢাকার মিরপুরে পাকিস্তানী বাহিনীর ইঙ্গিতে অবাঙ্গালীরা বাঙালী নিধন করে।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ ও ডক্টর কামাল হোসেন ইয়াহিয়া খানের উপদেষ্টাদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার এই বৈঠকে আওয়ামী লীগ নেতারা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যান।
তৎকালীন নির্বাচিত গণপরিষদ সদস্য ডক্টর কামাল হোসেন বলেন, জনগণের শাসন কি শক্তিশালী হয় যখন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে যাই সেটা স্বচক্ষে দেখেছি।
এদিন যশোর ট্যাংক রোডে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস ইপিআরের দপ্তরে ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার জাতীয় পতাকা।
তাজ উদ্দীন আহমেদের ঘনিষ্ট সহযোগী ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলাম বলেন, তৎকালীন সাংবাদিকরাও পত্রিকায় লেখেন বঙ্গবন্ধুর সমর্থনে জনমত সৃষ্টি হয়ে গেছে।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনের দিকে এদিনও বিক্ষুব্ধ স্বাধীনতাকামী মানুষের স্রোত।
তাদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু বলেন, সাড়ে ৭ কোটি মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। কোনো ষড়যন্ত্রই বাঙ্গালী জাতিকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে।







