পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, তার সরকার বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানে থেকে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।
রোববার করাচিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা আড়াই লাখ মানুষ এখন করাচিতে শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছেন।
‘৪০ বছর ধরে তারা এই শহরে আছেন। তাদের সন্তানরাও এই শহরেই বড় হচ্ছে। কিন্তু তাদের কোনো পাসপোর্টে কিংবা কোনো পরিচয়পত্র নেই। এগুলো না থাকলে চাকরি হয় না, আর চাকরি হলেও তাদের বেতন হয় অর্ধেক।’
করাচি শহরের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা উল্লেখ করে ইমরান খান বলেন, এসব শরণার্থীর জন্য শিক্ষা এবং চাকরির বাজার উন্মুক্ত করতে হবে।
জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী, পাকিস্তানে এখন ১৪ লাখ আফগান শরণার্থী বসবাস করছেন। তাদের ৭৪ শতাংশ দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্মের আফগান।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক শরণার্থী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে চলে আসেন।
কিন্তু নাগরিকত্ব কিংবা পরিচয়পত্রের অভাবে তাদের বেশিরভাগই দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন এবং নানা ধরনের সামাজিক নিপীড়নের শিকার হন।
পাকিস্তান নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী, সে দেশের ভূখণ্ডে ১৯৫১ সালের পর জন্মগ্রহণকারী যে কেউ পাকিস্তানী নাগরিকত্বের অধিকারী।








