বাংলাদেশ ও ভারত এই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্দি বিনিময় চুক্তি সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। এখন থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেই বন্দি বিনিময় করতে পারবে দু’দেশ। এছাড়া সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি শিথিল করা হয়েছে।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৬ এর। কম্বোডিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষরিত বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। ৯ হাজার ৬শ ১৫টি শূন্য পদে সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা প্রথা শিথিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য জন প্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সার্কুলেশন শিথিল করা হয় বৈঠকে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম নার্সদের কোটা পদ্ধতি শিথিল হওয়ার ব্যাপারটি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসারে যথেষ্ট লোক পাওয়া না গেলে পদগুলো খালি থাকত। এখন মেধার ভিত্তিতে এককালীনভাবেই সেগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।
ভারতের অনুরোধে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তি সহজ করে চুক্তি সংশোধনী প্রস্তাব
অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আগে এক্ষেত্রে অনেকগুলো জটিলতা ছিল। এখন আমাদের দেশের কোনো জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা কম্পিটেন্ট অথরিটি ট্রাইব্যুনাল যদি কোনো অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন, ওই ব্যক্তি ভারতীয় হলে তাকে (বন্দি মিনিময় চুক্তির অধীনে) বাংলাদেশে আনার জন্য আমরা সুপারিশ করতে পারব এবং তার বিচার এখানে হতে পারবে।’ একইভাবে ভারতের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ থেকে আসামী ভারতে পাঠানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মঙ্গোলিয়ার উলানবাটর সফর, আসেম সম্মেলনে যোগদান এবং সম্মেলনের সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের বিষয় মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়।







