ধর্মনিরপেক্ষ ব্লগার, লেখক, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও বিদেশির ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট (ইপি)। এসব হামলার কারণে বাংলাদেশে ধর্মীয় কট্টরপন্থা, অসহিষ্ণুতা ও সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
সংখ্যালঘুসহ সবাইকে নিরাপত্তা দিতে সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে প্রস্তাবে। বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টে উত্থাপিত এক প্রস্তাবে এ আহ্বান জানানো হয়।
প্রস্তাবটি পাস হয় ৫৮৬ ভোটে। বিপক্ষে পড়ে ৩১ ভোট। অনুপস্থিত ছিলেন ২৫ জন। আলোচনায় গণতন্ত্র ও সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে জাতীয় সংলাপের প্রয়োজনীয়তার বিষয়গুলো তুলে ধরেন বক্তারা।
বাংলাদেশে গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতেও সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। সরকারের সমালোচনা করে সংবাদ প্রকাশকারী সব প্রকাশক, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারেরও আহ্বান জানানো হয়। আহ্বান জানানো হয় বন্ধ করে দেওয়া গণমাধ্যম খুলে দেওয়ার।
‘বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তব্য রাখেন জিন ল্যাম্বার্ট, ইকনাজিও কোরাও, চার্লস ট্যানক, ক্রিশ্চিয়ান ড্যান প্রেদা, ডিটা চারানজোভা, পিয়ের অ্যান্টোনিও প্যানজেরি, লোলা সাঞ্চেজ ক্যালডেন্টি, শন কেলি, রিচার্ড হোয়িট, ক্যারোল কারস্কি, বৃট্রিজ বেকেরা বাস্তেরেকিয়া, লিন বয়লাম, ডায়ান জেমস, ল্যামপ্রোস ফাউন্টুলিস, নিনা গিল, মনিকা ম্যাকোভেই, জিরি পসপিসিল, নোটিস মারিয়াস, আইভান জ্যাকাভিচ, স্ট্যানিসলাভ পোলক্যাক ও ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।






