বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করে ভবিষ্যতের খাদ্য ঝুঁকি কমাতে গ্রিন হাউস গবেষণার অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রিন হাউস প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। আজ সোমবার চ্যানেল আইকে দেয়া এক সাক্ষাকারে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিষ্ঠার ১০০ বছর পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে গ্রিন হাউজ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্জন হল এলাকায় এতে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে বলে জানায় গবেষকরা।
এ প্রসঙ্গে ড. মো. ইমদাদুল হক আরও বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও জাতির জনকের জন্মশত বার্ষিকীতে এ গ্রিন হাউসটির উদ্বোধনের মাধ্যমে নতুন একটি মাইলফলক তৈরি হলো। এর ফলে গবেষকরা তাদের গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন নতুন জাত উদ্বোধন করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের গবেষকগণ এখানে গবেষণা করতে পারছে বলে জানান উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে হুমকির মুখে পড়া দেশ গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। ফলে ভবিষ্যতে এ প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশকে বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। বিভাগটির সহকারি অধ্যাপক ড. তাহমিনা ইসলাম চ্যানেল আইকে জানান, বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও ভবিষ্যতের প্রস্তুতি হিসেবে এ ধরনের গবেষণা দরকার।
এ প্রসঙ্গে বিভাগটির আরেক সহকারি অধ্যাপক ড. রিটা সারাহ বর্ণা বলেন, আমাদের দেশে ধানের যে জাত আছে সেগুলোকে খুব দ্রুত খরা ও লবণাক্ত সহিষ্ণু জাতে পরিণত করতে হবে। এ জন্য এ গ্রিন হাউস খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা গবেষকদের।
জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে গ্রিন হাউস প্রকল্পটিতে ধান, আলু, টমেটো, বাদাম, বেগুন ও ডালসহ বিভিন্ন ফল, ফসল, ফুল ও ভেষজ উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণা চলছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।








