কথায় আর কাজে কী নিদারুণ তফাৎ! যেখানে আগের দিন প্রতিজ্ঞা ছিল ভারতের বিপক্ষে ভালো কিছু করে দেখানোর, সেখানে এদিনও সেই ৭-০ গোলের পরাজয়! স্টিকে বল রেখে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা, ১৫ মিনিট পার না হতেই দম হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশকেই দেখলো মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামের হাজার দেড়েক দর্শক। পাকিস্তানের বিপক্ষেও ছিল একই চিত্র।
বিশাল জয়ে শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত হয়ে গেল ভারতের। রোববার পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি তাই শুধুই আনুষ্ঠানিকতা। আর টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশের জন্যও জাপান ম্যাচটা আনুষ্ঠানিকতা।
শুক্রবার পুল ‘এ’র দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ নিজেদের করে পেয়েছে শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিট। সেই সময়টাতে সত্যিই কিছু করে দেখানোর একটা বিচ্ছুরণ ছিল স্বাগতিকদের শারীরিক ভাষায়। এই সময়ে একটি গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিলেন জিমিরা।
৭ মিনিটে মানপ্রীত সিংয়ের গোল বদলে দেয় ম্যাচের আবহাওয়া। প্রথমার্ধের বাকি ২৩ মিনিটে বাংলাদেশের জালে আরও ৪ গোল পুরে দেয় র্যাঙ্কিংয়ের ছয়ে থাকা ভারত। আর বাংলাদেশ ছুটে মরে বলের জন্য, দখলে পেলেও ভুগেছে ‘কাকে দেওয়া যায়’ সেই সিদ্ধান্তে।
ভারতের শেষ দুই গোল এসেছে শেষ কোয়ার্টারে। দুটি পেনাল্টি কর্নার থেকে। পুরো ম্যাচে ভারতের পেনাল্টি কর্নার যেখানে দশের বেশি, সেখানে পাকিস্তান ম্যাচের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে একটিও পেনাল্টি কর্নার পাননি জিমিরা। সুযোগ যেকয়টি পেয়েছেন হয় ভুল প্রান্তে শট নিয়েছেন নয়তো ভুল পাসে বল হারিয়েছেন।








