গ্রুপ পর্বের দুই জয় পেয়েও সাফ সুজুকি কাপে শনিবার শেষ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে স্বস্তিতে মাঠে নামার গ্যারান্টি পাচ্ছে না স্বাগতিক বাংলাদেশ। কারণ একই দিনে আগের ম্যাচে ভুটানকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ ‘এ’ থেকে সেমিফাইনালের পথটা কঠিন করে তুলেছে পাকিস্তান।
দুই জয়ে গ্রুপ ‘এ’তে আপাতত টেবিলের শীর্ষে আছে বাংলাদেশ। লাল-সবুজদের পয়েন্ট ছয়। তিন ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের পয়েন্টও তাই। আর স্বাগতিকদের বিপক্ষে শনিবার মাঠে নামা নেপালের এক জয়ে পয়েন্ট সংখ্যা তিন।
খালি চোখে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও সমীকরণটা কিন্তু বেশ জটিল। কারণ নেপালের বিপক্ষে যদি মামুনুল-জামাল ভুঁইয়ারা হেরে বসেন তাহলে কিন্তু চিত্রটা পাল্টে যাবে পুরোপুরি। তখন বাংলাদেশ-নেপাল-পাকিস্তানের পয়েন্ট হবে সমান ছয়। শেষ চারের টিকিট বিলি হবে গোল ব্যবধান বিবেচনায়।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভুটানের জালে প্রথমার্ধেই দুইবার বল জড়ায় পাকিস্তান। ২০ মিনিটে সাদ্দাম হুসেনের হেড থেকে বল পেয়ে ডান বার থেকে ভলি করে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে গোল করেন মুহাম্মদ রিয়াজ। এর নয় মিনিট পর মুহাম্মদ আলির পাস থেকে দলের গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হাসান বশির। আর ম্যাচের যোগ করা সময়ে বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটা কঠিন করে তোলে ফাহিম আহমেদের গোল।
তিন ম্যাচে পাকিস্তান গোল করেছে ৫টি, হজম করেছে দুটি। অর্থাৎ দলটি এগিয়ে আছে তিন গোলে। পাকিস্তান ও ভুটানের বিপক্ষে জয় পাওয়া লাল-সবুজদের গোল ব্যবধানও ৩। গোলরক্ষক শহিদুল আলমের দৃঢ়টায় এই দুই ম্যাচে বাংলাদেশের জালে একবারও বল জড়ায়নি। আর প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ২-১ গোলে হারলেও পরের ম্যাচে ভুটানিদের ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের গোল ব্যবধান ৩ করে রেখেছে নেপালিরা। অর্থাৎ তিন দলেরই গোল ব্যবধান সমান।
এমন জটিল সমীকরণে নেপালিদের বিপক্ষে বাংলাদেশের একটাই করণীয়। কোনভাবেই ম্যাচে হারা চলবে না। হারলেই থাকতে হবে দর্শক হয়ে। আর জয় অথবা ড্র হলেই গ্রুপ সেরা হয়ে তিন আসর পর সেমির টিকিট পাবে জেমি ডের শিষ্যরা।







