বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এবার ভিডিও ট্রল বানিয়েছে খোদ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি। বিশ্ব ক্রিকেটের অভিভাবকের এমন আচরণে টাইগার ভক্তরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
রোববার বিকেলে আইসিসির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও ট্রল আপলোড করা হয়।
ট্রলটিতে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টেনের বাংলাদেশ ও ভারত ম্যাচের শেষ বলের রান আউটের অভিনয় ধারণ করা হয়। এতে অভিনয় করেন সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকাররা। ধোনির অভিনয় করেন ড্যারেন গঙ্গা, মুস্তাফিজের অভিনয়ে ছিলেন নিক নাইট এবং হার্দিক পান্ডিয়ার অভিনয় করেন শন পোলক।
আইসিসি’র এমন ভিডিও ট্রল বাংলাদেশ ভারত ক্রিকেটকে আরো বৈরী সম্পর্কে নিয়ে গেল। ফেসবুকের আইসিসি’র পেজে নানা রকমের কমেন্ট করছে দুই দেশের ক্রিকেট ভক্তরা।
বাংলাদেশের টাইগার ক্রিকেট ভক্তরা আইসিসি’র বাংলাদেশের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের অভিভাবকের কেন এমন আচরণ হবে, যে খেলাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের দর্শক ক্রিকেটারসহ গোটা জাতির আবেগ অনুভূতি রূপ নিয়েছিল কান্নায়, এমনকি বিশ্ব ক্রিকেটের খ্যাতিমান তারকারাও জানিয়েছিলেন ম্যাচ না জিতলেও হৃদয় জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ।
অার সেই ম্যাচকে নিয়ে এমন ভিডিও ট্রল কেন করল আইসিসি? কেনই বা বারবার আইসিসি’র বিরূপ আচরণের স্বীকার হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। নাকি টাইগার্স ক্রিকেটকে ধ্বংস করার একটা পায়তারা চলছে এর প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে?
আইসিসি’র বাংলাদেশের প্রতি এমন বৈষম্যের শুরুটা গত বছর বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিতর্কিত কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে। এরপর আইসিসি’র প্রেসিডেন্ট আ হ ম মোস্তফা কামাল পদত্যাগ করেন। আইসিসি’র চেয়ারম্যান ভারতীয় শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বাংলাদেশের মোস্তফা কামালের যুদ্ধটা তখন অনেকটা প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছিল।
এরপর চলতি টি-২০বিশ্বকাপে তাসকিন আর আরাফাত সানির অবৈধ বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রথম সমালোচনায় জড়ায় আইসিসি। এরপর তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
শুধু তাই-ই করে ক্ষান্ত হয়নি আইসিসি, ভারত বাংলাদেশের ম্যাচের পর স্লো ওভার রেটের কারণে ম্যাচ ফি’র মাশরাফির ২০ শতাংশ এবং পুরো দলের ১০ শতাংশ জরিমানা করেছে।
কে বলতে পারে হয়তো ভবিষতে আইসিসি’র কাছ থেকে আরো এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত আসবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ওপর।
ভিডিওতে দেখুন আইসিসি’র ভিডিও ট্রল:






