জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার সিটি প্লাজায় দুপুর ১২টা থেকেই দেশাত্মবোধক গান আর কবিতা আবৃত্তি দিয়ে শুরু হয় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানমালা। মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এবং বাঙ্গালির চেতনা মঞ্চ আয়োজিত এই অনুষ্ঠান বিপুলসংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা, প্রবাসী লেখক,কবি-সাহিত্যিক, আইনজীবী, বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৄতিক সংগঠনসহ ছোট বড় সব মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
যোগ দেন নিউইয়র্ক স্টেটের প্রতিনিধিরা। বিকেলে স্বাধীনতা শোভাযাত্রার আগে নিউইয়র্কের বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান বলেন, সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে ৪৪ বছরে বাংলাদেশ অনেকদূর এগিয়েছে।
সে সময় আরো বক্তৃতা করেন কাউন্সিলম্যান ডক্টর নূরুননবী, নাট্যাভিনেতা জামাল উদ্দিন হোসেন, নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রলার স্কট স্ট্রিংগার, সিটি মেয়রের বিশেষ প্রতিনিধি আবাসন বিষয়ক কমিশনার নিশা আগারওয়াল, স্টেট গভর্নর এন্ড্রু কুওমোর প্রতিনিধি হাশর পারেখ ও সিনেটর হোসে পেরালটা।
নিউইয়র্কের গভর্নর এন্ড্রু কুওমো এ বছর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২৬ শে মার্চকে নিউইয়র্ক স্টেট এ বাংলাদেশ দিবস ঘোষণা করেন ।
প্রজ্ঞাপনটি আয়োজকদের হাতে তুলে দেন গভর্নরের প্রতিনিধি। পরে শুরু হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। কড়া পুলিশ পাহারায় বিভিন্ন স্ট্রিট অতিক্রম করে স্থানীয় একটি স্কুলে গিয়ে শেষ হয় শোভাযাত্রাটি।
এছাড়া জাতিংসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৄতিক অনুষ্ঠান। বক্তৃতা করেন ডেমোক্রেটিক পাটির্র নেতা কমিউনিটি এক্টিভিস্ট মোশের্দ আলম, সরাফ সরকার ও অন্যরা। নাচ, গান আর আবৃত্তিতে ছিলো উপভোগ্য সাংস্কৄতিক সন্ধ্যা ।






