শুধু দারিদ্র্য হ্রাস নয়, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার সবক্ষেত্রেই বাংলাদেশের অর্জনকে অনন্য বলেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডক্টর জিম ইয়ং কিম। তবে এখনো অনেক কিছু করার আছে বলে বাংলাদেশের জন্য ঋণ সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। শিশু অপুষ্টি দূর করতে আগামী ২ বছরে নিয়মিত ঋণের অতিরিক্ত ১ বিলিয়ন ডলার দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট।
অর্থমন্ত্রীর সংঙ্গে বৈঠকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসট্যান্স আইডিএ ১৮ নিয়ে কথা হয়েছে, আলোচনায় এসেছে অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অজর্নসহ সামাজিক উন্নয়ন ইস্যু। শহজ শর্তে ন্যূনতম দশমিক সাত পাঁচ শতাংশ হার সুদে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো বিশ্বব্যাংকের আইডিএ থেকে ঋণ পেয়ে থাকে। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ঋণ পেয়েছে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার। আইডা ১৭ শেষে আইডা ১৮’র আওতায় কতো ঋণ পাওয়া সম্ভব তা নিয়ে এখন শেষ মুহূর্তের আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়বে বলে আশাবাদী বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট।
প্রশ্নোত্তরে কিম বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তারা চান এটা সুসম্পন্ন হোক।
পদ্মা সেতু নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে তিক্ততা কাটিয়ে উঠতে বর্তমান প্রেসিডেন্টের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন অর্থমন্ত্রী।
আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস উদযাপন করতে ঢাকায় এসেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডক্টর জিম ইয়ং কিম। বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে একটি আলোচনায় অংশ নেবেন তিনি।










