বলিউডের সবার কাছে থেকে পাওয়া ভালবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা জানালেন শাহরুখ খান। তিনি বলেন, ‘আমি যখন এই স্বপ্নের শহরে (মুম্বাইয়ে) আসি, তখন পরিবার বলতে কিছুই ছিল না আমার। বলিউডই দু হাত বাড়িয়ে আমাকে সাদরে গ্রহণ করেছে। গত পঁচিশ বছর যাবৎ আমি বলিউডে কাজ করছি। আমি যখন মুম্বাইয়ে আসি, তখন আমার বাবা-মা এবং বোনকে হারাই। আমার আসলে তখন কোনো পরিবার ছিল না।বলিউড তখন আমাকে গ্রহণ করেছে আর এখন কোটি কোটি মানুষের একটি পরিবার উপহার দিয়েছে। এজন্য আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।’
‘যশ চোপড়া স্মৃতি পুরস্কার’ অনুষ্ঠানের মঞ্চে তিনি আরও বলেন, ‘আমি কখনো লাভার বয় হতে চাইনি। কারণ আমি মনে করি না, আমি দেখতে সুন্দর। রোমান্টিক হিরো হওয়ার জন্য আমি দেখতে ততটা সুন্দর নই। কিন্তু যশ চোপড়া আমাকে বলেছিলেন, রোমান্টিক ছবি না করলে আমার ক্যারিয়ার এগোবে না। আর যখন যশ চোপড়ার মতো মানুষ যেহেতু বলছেন, তখন তো ভেবেই বলছেন। যশের সেই কথার ওপর বিশ্বাস রেখে জীবনে এত দূর এসেছি। যশ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে বলেছিলেন। আমি তা করেছি। আর তাতেই আমার ক্যারিয়ারে সাফল্য এসেছে।’

সম্প্রতি ভারতের মুম্বাইয়ে ‘যশ চোপড়া স্মৃতি পুরস্কার’ গ্রহণ করেন শাহরুখ খান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যশ চোপড়ার স্ত্রী পামেলা, বলিউডের তারকা রেখা, জয়াপ্রদা, শত্রুঘ্ন সিনহা, মহারাষ্ট্রের গভর্ণর বিদ্যাসাগর রাওসহ অনেকে।
শাহরুখ খান আরও বলেন, ‘এটা আমার জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সন্ধ্যা। কারণ এখানে উপস্থিত সবার ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আবেগ আমার জন্য বড় পাওয়া।’
যশরাজ ফিল্মসের সঙ্গে শাহরুখের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো ‘ডর’, ‘বীর-জারা’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘যব তক হ্যায় জান’।
যশ রাজের স্ত্রী পামেলার আন্তরিকতা এবং উষ্ণ ভালবাসায় মুগ্ধ শাহরুখ খান বলেন, ‘পামেলা আন্টি আমার মায়ের মতো। আমি মুম্বাইয়ে এসে তার কাছ থেকে মায়ের ভালোবাসা পেয়েছি।’
যশ চোপড়ার স্মৃতিচারণ করে শাহরুখ বলেন, ‘তিনি আমাকে নিজের সন্তানের মতো ভালবাসতেন। আমি সৌভাগ্যবান যে, তার অনেক ছবিতে কাজ করেছি এবং তার সর্বশেষ ছবিতে কাজ করার সৌভাগ্যও আমার হয়েছে।’








