ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধিতে কুড়িগ্রামে বন্যার আরো অবনতি হয়েছে। চলছে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও শুকনো খাবারের তীব্র সংকট। গাইবান্ধায় বন্ধ করা হয়েছে ১২১টি প্রাথমিক ও ২৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সিরাজগঞ্জে বেড়েই চলছে যমুনার পানি।
বগুড়ায় দ্বিতীয় দফা বন্যায় পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট। দুর্গত এলাকায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন বানভাসীরা। দেখা দিয়েছে পানি বাহিত নানা রোগ।
গাইবান্ধায় সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এখানেও পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ঘাঘটের পানি বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুধু সরকারী হিসেবেই প্রায় ৩ লাখ পরিবার পানিবন্ধী। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কৃষি খাতে ।
যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সিরাজগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। পানিতে আটকে পড়েছেন শক্ষাধিক মানুষ।
বগুড়ায় দ্বিতীয় দফায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে অনেক। জেলার ৫টি উপজেলায় নতুন-নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। যমুনা ও বাঙ্গালী নদীর পানি বাড়তে থাকায় প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।







