ভারত, ভুটান ও নেপালের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ সুবিধাকে কেন্দ্র করে বদলে যাচ্ছে দেশের উত্তর জনপদের অর্থনীতি। ঐ দেশগুলোতে পণ্যরপ্তানী সহজ করতে পঞ্চগড়, লালমনিরহাট ও দিনাজপুরে গড়ে উঠছে নতুন নতুন শিল্পকারখানা।
গতবছর ১৫ জুন সড়ক পথে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে সড়কপথে যানবাহন চলাচালের চুক্তি হয়। বাংলাদেশ থেকে এসব দেশে যোগাযোগের জন্য ৪টি রুট রাখা হয়েছে। এর দুটি রুটই উত্তরবঙ্গে। একটি বুড়িমারি ও অন্যটি বাংলাবন্দা।
উত্তরবঙ্গের এ দুটি রুটে ভারত হয়ে প্রবেশ করা যাবে নেপাল ও ভুটানে। এই পথ দিয়ে প্রবেশ করে যাওয়া যাবে ভারতের সেভেন সিস্টার রাজ্যগুলোতেও। সর্বশেষ অর্থবছরে ভারতে রপ্তানী হয়েছে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার পন্য। নেপালে ছয়’শ কোটি টাকা আর ভুটানে পঞ্চাশ কোটি টাকার পণ্য। আর পন্য রপ্তানী সাশ্রয়ী করার কথা মাথায় রেখেই উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলা গুলোতে এসব শিল্প কারখানা।
ভবিষ্যতের জন্য অনেকে জমিও কিনে রাখছেন। আর এই সুযোগে জমির দাম বেড়েছে কয়েকগুন।
বাংলাবান্দা স্থলবন্দরের এজিএম সিরাজুল ইসলাম বলেন, অর্থনৈতিকভাবে অনেক পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানী জায়গা জমি ক্রয় করছে, তারা কানেকটিভিটি ও ইমিগ্রেশনের জন্য তারা অপেক্ষা করছে।শুরু হলেই তারা তাদের প্রোডাকশনে চলে যাবে।
সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে তৈরী হচ্ছে ওয়্যার হাউজ, গেস্টহাউজ আর রেস্তোরা।
পঞ্চগড়ে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি এটিএম কামরুজ্জামান বলেন, যেহেতু এটা আমার শেষ জেলা, এখান থেকে বাজারজাত চট্টগ্রাম পর্যন্ত করতে গেলে আমার খরচ পড়ে যাচ্ছে বেশি।যার কারণে আমাদের পঞ্চগড়ে ইন্ডাস্ট্রি হচ্ছে না, যদি পোর্টটা খুলে যায় তাহলে আমরা এখান থেকেই ভারতে বাজারজাত করতে পারব।
আগে যেখানে আড়াইশো থেকে ৩শ’ কিলোমিটার ঘুরে নেপালে যেতে হতো, আর এখন বাংলাবান্দা দিয়ে নেপালের কাঁকড়ভিটা পর্যন্ত যেতে পার হতে হবে মাত্র ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। আর দার্জিলিং এখন মাত্র ৩১ কিলোমিটার দূরে।







