বঙ্গবন্ধু সেতু রক্ষা বাঁধের পূর্ব পাড়ে গড়িলা বাড়ি অংশে মূল গাইড বাঁধে অাবার ৪র্থ দফায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এতে সেতু রক্ষা বাঁধের প্রায় ১৫০ গাইড বাঁধ নদী গর্ভে বিলনীসহ প্রায় অারো ৪০০ মিটার গভীর হয়ে ধ্বসে নদী গর্ভে চলে গেছে।
মূল গাইড বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ফলে প্রায় ১৫টি বসত ভিটাও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে হুমকিতে পড়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু। এ নিয়ে দুটি স্থানে গাইড নদী গর্ভে বিলীন ও দুটি স্থানে ধসের ঘটনা ঘটেছে।
সেতু কর্তৃপক্ষের লোকজন পূর্বের দুটি ধসে যাওয়া স্থানে সামান্য কিছু জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে কোন কাজেই অাসছে না। এ বাধঁটি রক্ষার জন্য এখন পর্যন্ত জোরালো কার্যক্রম শুরু করেনি সেতু কর্তৃপক্ষ ।
সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ১০০ মিটার পাথর ও ১৮ মিটার ব্লক দ্বারা ২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু রক্ষার জন্য বাঁধটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি অসাধু মহল বাঁধের কোল ঘেষে বালু উত্তোলনের ফলে নীচের অংশের মাটি সরে যাওয়ায় এ ধ্বসের ঘটনা ঘটেছে। সেতু কর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকি ও গাফলতির কারণে বাঁধটির এ অবস্থা হয়েছে।
বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় বঙ্গবন্ধু সেতু চরম হুমকিতে পড়েছে। এছাড়াও বাধেঁর পাশের ৭টি গ্রাম গড়িলা বাড়ি, বেলটিয়া, আলীপুর, বুরুপ বাড়ি, পৌলির চর, দৌগাতি, বেঁড়িপটল একেবারে বিলীন হয়ে যাবার উপক্রম।
ভাঙ্গন বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের ইনচার্জ প্রকৌশলী ওয়াসিম অালী বলেন, এ ভাঙ্গনের কারণে বঙ্গবন্ধু সেতু কোন ধরণের হুমকির মুখে পড়েনি। ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।








