চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • নির্বাচন ২০২৬
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

বঙ্গবন্ধু একটি স্বাধীন জাতিসত্তার অপরিমেয় অহংকার: অর্থমন্ত্রী

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
৫:৩২ অপরাহ্ন ১৫, আগস্ট ২০২১
- সেমি লিড, অর্থনীতি, বাংলাদেশ
A A

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি নাম নয়, বঙ্গবন্ধু হলেন একটি জাগ্রত ইতিহাস। একটি স্বাধীন জাতিসত্তার অপরিমেয় অহংকার, বর্ণিল ঐশ্বর্য।

রোববার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদত বার্ষিকী’ উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগস্ট মাসটি বাঙালি জাতি তথা বাংলাদেশের জন্য শোকের মাস। হৃদয়ের রক্তক্ষরণের মাস; অনুভূতি, উপলব্ধি ও মননশীলতার পরতে পরতে অসহ্য ও তীক্ষ্ণ যন্ত্রণা বয়ে যাওয়ার মাস। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকের দিন। বাংলার আকাশ-বাতাস আর প্রকৃতিও অশ্রুসিক্ত হওয়ার দিন। পঁচাত্তরের এই দিনে আগস্ট আর শ্রাবণ মিলেমিশে একাকার হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত আর আকাশের মর্মছেঁড়া অশ্রুর প্লাবনে।

তিনি বলেন, ইতিহাসের জগন্যতম সেই কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নীপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্ত:সত্তা সহধর্মিণী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন।

সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া, সারা বিশ্ব হতবাক হয়ে যায় এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৭ থেকে ৭১ সাল- এই দীর্ঘ পথপরিক্রমণে একেকটি আন্দোলনের সোপান উত্তরণের মাঝে একেক গুচ্ছ তরুণ তাজা তপ্ত প্রাণ অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। কিন্তু এ সব কিছুরই পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষ প্রতীক ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর পুরো জীবনের চেতনার সমস্ত অংশটুকু ছিল রাজনীতির সমুদ্রের অতলান্তে নিমজ্জিত, এমনকি ব্যক্তিগত জীবনের প্রেম-ভালোবাসা, চাওয়া-পাওয়া সব কিছুই ছিল রাজনৈতিক চেতনার গভীরে নিমগ্ন। তাঁর কালজয়ী নেতৃত্বকে ঘিরেই আবর্তিত হয় প্রতিটি আন্দোলনের স্রোতধারা। জাতির শাণিত শিরায় অকুতোভয় সাহস ছড়িয়ে কোটি কোটি মানুষের ইচ্ছার অনিন্দ্য কুসুম ফুটিয়ে তুলেন তিনি।

Reneta

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের ভৌগলিক মুক্তির পাশাপাশি, অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্নে সোনার বাংলা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেন। বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজ আজ আমাদের আধুনিক বাংলার রূপকার ও বর্তমান প্রজন্মের কিংবদন্তী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে। ঘাতকরা জানতো না যে, বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলা যায় না, কেননা বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু আর বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। ন্যায্য, সত্য, কল্যাণ এবং আত্মমুক্তির পক্ষে সোচ্চার উদার হৃদয় মহান মানুষ।

মুস্তফা কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধু টু্ঙ্গিপাড়ার হিজল তমালের সুশীতল ছায়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত থাকলেও বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের কাঠামোর সব স্তরে, জাতীয় পতাকায়, জাতীয় সংগীতে, শস্য ক্ষেতে দোল খাওয়া ফসলে, নদীর কলতানে, পাখির কুজনে তিনি আছেন এবং থাকবেন। বঙ্গবন্ধু আছেন, তিনি থাকবেন বাঙ্গালীর মননে, চেতনায়, ভালোবাসায় অমর অক্ষয় এবং অব্যয় হয়ে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ১৫ আগস্ট শোকের দিন, জাতির জন্য একটি কলঙ্কিত দিন, একটি কালো অধ্যায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজীবুর রহমান ‍যিনি আমাদেরকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন, সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে চেয়েছিলেন- এই দিনে ঘাতকেরা হত্যা করে সেই সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীকে।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শূন্য থেকে শুরু করেন দেশ বিনির্মাণের কঠিনতম কাজ। ১৯৭২ সালেই তিনি প্রণয়ন করেন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। তিনি বাংলাদেশের আর্থসামজিক উন্নয়নের সামগ্রীক পরিকল্পনা প্রনয়ন করেন যার ভিত্তি মূলে আমাদের আজকের বাস্তবতা রূপ লাভ করেছে।

অনুষ্ঠানে ১৫ আগস্টের সব শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি নাম নয়, বঙ্গবন্ধু হলেন একটি জাগ্রত ইতিহাস। একটি স্বাধীন জাতিসত্তার অপরিমেয় অহংকার, বর্ণিল ঐশ্বর্য।

রোববার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদত বার্ষিকী’ উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগস্ট মাসটি বাঙালি জাতি তথা বাংলাদেশের জন্য শোকের মাস। হৃদয়ের রক্তক্ষরণের মাস; অনুভূতি, উপলব্ধি ও মননশীলতার পরতে পরতে অসহ্য ও তীক্ষ্ণ যন্ত্রণা বয়ে যাওয়ার মাস। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকের দিন। বাংলার আকাশ-বাতাস আর প্রকৃতিও অশ্রুসিক্ত হওয়ার দিন। পঁচাত্তরের এই দিনে আগস্ট আর শ্রাবণ মিলেমিশে একাকার হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত আর আকাশের মর্মছেঁড়া অশ্রুর প্লাবনে।

তিনি বলেন, ইতিহাসের জগন্যতম সেই কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নীপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্ত:সত্তা সহধর্মিণী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন।

সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া, সারা বিশ্ব হতবাক হয়ে যায় এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৭ থেকে ৭১ সাল- এই দীর্ঘ পথপরিক্রমণে একেকটি আন্দোলনের সোপান উত্তরণের মাঝে একেক গুচ্ছ তরুণ তাজা তপ্ত প্রাণ অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। কিন্তু এ সব কিছুরই পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষ প্রতীক ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর পুরো জীবনের চেতনার সমস্ত অংশটুকু ছিল রাজনীতির সমুদ্রের অতলান্তে নিমজ্জিত, এমনকি ব্যক্তিগত জীবনের প্রেম-ভালোবাসা, চাওয়া-পাওয়া সব কিছুই ছিল রাজনৈতিক চেতনার গভীরে নিমগ্ন। তাঁর কালজয়ী নেতৃত্বকে ঘিরেই আবর্তিত হয় প্রতিটি আন্দোলনের স্রোতধারা। জাতির শাণিত শিরায় অকুতোভয় সাহস ছড়িয়ে কোটি কোটি মানুষের ইচ্ছার অনিন্দ্য কুসুম ফুটিয়ে তুলেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের ভৌগলিক মুক্তির পাশাপাশি, অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্নে সোনার বাংলা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেন। বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজ আজ আমাদের আধুনিক বাংলার রূপকার ও বর্তমান প্রজন্মের কিংবদন্তী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে। ঘাতকরা জানতো না যে, বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলা যায়না, কেননা বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু আর বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। ন্যায্য, সত্য, কল্যাণ এবং আত্মমুক্তির পক্ষে সোচ্চার উদার হৃদয় মহান মানুষ।

মুস্তফা কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধু টু্ঙ্গিপাড়ার হিজল তমালের সুশীতল ছায়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত থাকলেও বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের কাঠামোর সব স্তরে, জাতীয় পতাকায়, জাতীয় সংগীতে, শস্য ক্ষেতে দোল খাওয়া ফসলে, নদীর কলতানে, পাখির কুজনে তিনি আছেন এবং থাকবেন। বঙ্গবন্ধু আছেন, তিনি থাকবেন বাঙ্গালীর মননে, চেতনায়, ভালোবাসায় অমর অক্ষয় এবং অব্যয় হয়ে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ১৫ আগস্ট শোকের দিন, জাতির জন্য একটি কলঙ্কিত দিন, একটি কালো অধ্যায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজীবুর রহমান ‍যিনি আমাদেরকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন, সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে চেয়েছিলেন- এই দিনে ঘাতকেরা হত্যা করে সেই সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীকে।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শূন্য থেকে শুরু করেন দেশ বিনির্মাণের কঠিনতম কাজ। ১৯৭২ সালেই তিনি প্রণয়ন করেন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। তিনি বাংলাদেশের আর্থসামজিক উন্নয়নের সামগ্রীক পরিকল্পনা প্রনয়ন করেন যার ভিত্তি মূলে আমাদের আজকের বাস্তবতা রূপ লাভ করেছে।

অনুষ্ঠানে ১৫ আগস্টের সব শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডশোকের মাসস্বাধীনতা
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

পাবনায় পুরাতন মামলায় গ্রেপ্তার এনসিপির যুবসংগঠন নেতা আসাদুল্লাহ

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬

মার্করাম ঝড়ে কিউইদের হারিয়ে টানা তিন ম্যাচে অপরাজেয় প্রোটিয়ারা

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন ১৭ ফেব্রুয়ারি

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দেশ ছেড়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬

বিশ্বকাপে হাত মেলাবে ভারত-পাকিস্তান? যা বলছেন দুই অধিনায়ক

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT