বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে দেশের মানুষের স্বাধীনতা পূর্ণতা পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কর্তৃক আয়োজিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সুুজিত বলেন: বাঙালি জাতির জীবনে ১০ জানুয়ারি চিরস্মরণীয় অনন্য ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭২-এর এই দিনটিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষ বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন করেছিল। যদিও ’৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ হানাদারমুক্ত হয়। কিন্তু বাংলার মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করতে পারেনি। কারণ, যার নেতৃত্বে এই দেশ, তিনি তখন কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি। তিনি যতক্ষণ ফিরে না এসেছেন, ততক্ষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারেনি। স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় ১০ জানুয়ারি, যেদিন জাতির জনক তার জন্মভূমি স্বপ্নের স্বাধীন সোনার বাংলায় ফিরে এসেছিলেন।
তিনি আরো বলেন: পৃথিবীতে কিছু রাজনীতিবিদ আছেন যাদের নামের সঙ্গে তার দেশ একাত্ম হয়ে আছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় নেলসন ম্যান্ডেলা, চায়নায় মাও সেতুং, রাশিয়ায় লেনিন, ভিয়েতনামে হো চি মিন, তুরস্কে কামাল আতাতুর্ক, যুগোশ্লাভিয়ায় মার্শাল টিটো, ভারতের মহাত্মা গান্ধী আর বাংলাদেশে শেখ মুজিব। এসব দেশের নাম আসলে অবধারিতভাবেই এসব ব্যক্তির নামও আসে। এসব ব্যক্তির দীর্ঘ সংগ্রাম ও বিপ্লব, ত্যাগ এবং আপসহীন মানসিকতার কারণেই পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম নিয়েছে দেশগুলো। তাই বঙ্গবন্ধু-ই বাংলাদেশ।
তিনি আরো বলেন: ব্যক্তি মুজিবকে হত্যা করা যায় আদর্শের মুজিবকে কখনো হত্যা করা যায় না।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আকবর হোসেন পাঠান (চিত্রনায়ক ফারুক) এর সভাপতিত্বে আলোচনা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাল্গুনী হামিদ, কার্যনির্বাহী সভাপতি বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ও সভাপতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি।
এছাড়াও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের দেশবরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।









