সেই ১৯০৪ সাল থেকে শুরু। ফুটবলের অন্যতম প্রাচীন দ্বৈরথের একটি ফ্রান্স-বেলজিয়াম লড়াই। রোমাঞ্চটা আরও একবার দেখার অপেক্ষায় ফুটবলবিশ্ব। সেটিও আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় রাশিয়া বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স-বেলজিয়াম। তার আগে দেখা নেয়া যাক কে এগিয়ে পরিসংখ্যান-ইতিহাসে।
>এপর্যন্ত মোট ৭৩বার মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্স ও বেলজিয়াম। ৩০ জয়ে এগিয়ে বেলজিয়াম, ফ্রান্সের জয় ২৪ ম্যাচে। বাকি ১৯ ম্যাচ অমীমাংসিত।
>শতাব্দী প্রাচীন লড়াই হলেও বিশ্বকাপে মাত্র দুবার দেখা হয়েছে এ দুদলের। দুবারই জয়ী দলের নাম ফ্রান্স। ১৯৩৮ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডে ৩-১ গোলে জয়ের পর ১৯৮৬ বিশ্বকাপে বেলজিয়ানদের ৪-২ গোলে হারিয়ে তৃতীয় হয়েছিল ফরাসিরা।
>মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিতে বেলজিয়াম। প্রথমটি ১৯৮৬ আসরে। সেবার আর্জেন্টিনার কাছে হেরে গিয়েছিল রেড ডেভিলরা।
>বাছাইপর্ব ও বিশ্বকাপে শেষ ১০ ম্যাচের সবগুলোই জিতেছে বেলজিয়াম।
>একইভাবে শেষ সাত ম্যাচের ছয়টিই জিতেছে ফ্রান্স।
>রাশিয়া বিশ্বকাপে মোট ১৪টি গোল করেছে বেলজিয়াম। এবারের আসরে এককভাবে সবচেয়ে বেশি গোল দলটির। বাছাইপর্ব মিলিয়ে শেষ ৯ ম্যাচের আটটিতেই ২.৫টি গড়ে গোল করেছে এডেন হ্যাজার্ডের দল।
>বিশ্বকাপের পাঁচ ম্যাচে ৯টি গোল করেছে ফ্রান্স। বাছাইপর্ব মিলিয়ে ১০ ম্যাচে ৯টিতে তাদের গোল গড় ২.০!
>এবারের বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের ২৩ সদস্যের মধ্যে ৯ জনই গোল পেয়েছেন। সর্বোচ্চ গোল রোমেলু লুকাকুর। ম্যানইউতে খেলা এ ফরোয়ার্ডের গোল ৪টি।
>ফ্রান্সের হয়ে এবার সর্বোচ্চ গোল অ্যান্টনিও গ্রিজম্যান ও কাইলিয়ান এমবাপের। দুই ফরাসি ফরোয়ার্ডের গোল ৩টি করে। বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে শেষ ছয় নকআউটে সাতটি গোল আছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ তারকার গ্রিজম্যানের।
>জিব্রিল সিডিবের চোট ছাড়া আর কোনো শঙ্কা নেই ফ্রান্স শিবিরে। ফিরছেন ব্লেইস মাতুইডি।
>বেলজিয়ামের থমাস মুনিয়ের ছিটকে গেছেন সেমিফাইনাল থেকে। তার নামের পাশে আছে দুই হলুদ কার্ড। দলে ফিরতে পারেন জানিক কারাস্কো।
>এমবাপে ও গ্রিজম্যান ভোগাতে পারেন বেলজিয়ামকে। পেছন থেকে এ দুজনকে পাস যোগাবেন পল পগবা। এই তিনজনের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে রবার্তো মার্টিনেজের শিষ্যদের।
>বেলজিয়ামের মূল অস্ত্র হবেন অধিনায়ক এডেন হ্যাজার্ড। প্লে-মেকারের ভূমিকায় দারুণ সফল দলটির চেলসি তারকা।








