ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলের রুয়েন শহরের কাছে অবস্থিত একটি চার্চের দুই অস্ত্রধারী কয়েকজন ব্যক্তিকে জিম্মি করে রেখেছে বলে জানিয়েছে ফরাসি ও আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যম।
পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, চার থেকে ছয় জন মানুষকে সেইন্ট-এতিয়েনে-দ্যু-রুভরে চার্চের ভেতর আটকে রাখা হয়।
জিম্মিদের মধ্যে এক পাদ্রী, দুই সিস্টার এবং কয়েকজন সাধারণ মানুষ আছেন বলে জানিয়েছে ফ্রান্স থ্রি নেটওয়ার্ক। জিম্মি পাদ্রী হামলাকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন বলে জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি। আরও কয়েকটি গণমাধ্যমে জানানো হয়, জিম্মি মোট মানুষ ছিল ৬ জন। এদের মধ্যে একজন জিম্মি করার সময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তিনিই চার্চ থেকে বেরিয়ে আশপাশের লোকজনকে ব্যাপারটা জানান।
তবে জিম্মি করার ঘটনার কিছুক্ষণ পরই জিম্মিকারী দু’জনকেই ‘নিষ্ক্রিয়’ করা হয়েছে বলে ফ্রান্সের কয়েকটি গণমাধ্যম দাবি করছে।
জিম্মিকারীরা ছুরি দেখিয়ে ভেতরের লোকদের জিম্মি করে রাখে বলে জানা গেছে।
কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কিনা, এ ব্যাপারে এই মুহূর্তে নিশ্চিত সম্ভব হয়নি বলেও গণমাধ্যমকে পুলিশ জানিয়েছে। তবে উপস্থিত দমকলকর্মীরা কয়েকজনের আহত হওয়ার কথা জানিয়েছে।
ফ্রান্স সম্প্রতি এ ধরণের হামলার কারণে ক’দিন পর পরই আলোচনায় আসছে। গত ১৪ জুলাই দেশটির নিস শহরে বাস্তিল দিবসের উৎসবে ট্রাক নিয়ে হামরা চালিয়ে ৮৪ জনকে হত্যা করে তিউনিশিয়ান বংশোদ্ভূত ফরাসি নাগরিক মোহাম্মদ লাওয়েজ বুলেল। পরে আইএস বুলেলকে নিজেদের যোদ্ধা বলে দাবি করে।
এর আগে প্যারিসের কাছের ম্যাগনাভিল শহরে পুলিশ কমান্ডারের বাড়িতে ছুরি নিয়ে হামলা চালায় ২৫ বছর বয়সী লারোসি আব্বাল্লা। ওই হত্যার ভিডিও ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করে এক আইএস সমর্থক।







