যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) ২০০৬ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের সাবেক দুই প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক, নিকোলাস সারকোজি এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোয়া ওলাদ উপর গোপন নজরদারি রেখেছিলো বলে উইকিলিস তথ্য প্রকাশ করেছে।
হুইসেলব্লোয়ার ওয়েবসাইটটিতে এনএসএ থেকে প্রাপ্ত এই দলিলকে উদ্ধৃত করা হয়েছে ‘সর্বোচ্চ গোপনীয় গোয়েন্দা প্রতিবেদন এবং প্রযুক্তিগত দলিল’ বলে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র বিভাগের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, আমরা ফাঁস হওয়া দলিলের তথ্য উপাত্ত বা এর সত্যাসত্য নিয়ে কোন মন্তব্য করি না। ফ্রান্সের পক্ষ থেকে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
পূর্বে জার্মান চ্যান্সেলোর এঞ্জেলো মার্কেলের উপর গোপন নজরদারি রাখার অভিযোগ উঠেছিলো এনএসএ’এর বিরুদ্ধে। এনএসএ’এর সাবেক কন্ট্রাকটর এডওয়ার্ড স্নোডেন ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তৃত পর্যবেক্ষণের উপর দলিল ফাঁস করে দিলে এই অভিযোগ উঠেছিলো। তবে এই মাসের শুরুর দিকে জার্মানি এ বিষয়ে তাদের তদন্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের ন্যায্যতা প্রতিপাদনের ক্ষেত্রে এনএসএ পর্যাপ্ত প্রমাণাদি সরবরাহে ব্যর্থ হওয়ায় জার্মানি এই সিদ্ধান্ত নেয়।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদের উল্লেখ করে মঙ্গলবার থেকে উইকিলিকস ‘এসপিয়োনেজ এলিসি’ শিরোনামে তথ্য প্রকাশ করা শুরু করে। এই গোপন তথ্য গুলো ‘যোগাযোগের ক্ষেত্রে এনএসএ’এর সরাসরি পর্যবেক্ষণ থেকে উদ্ভুত’ বলে উইকিলিকসের তরফ থেকে জানানো হয়। এখানে যোগাযোগ বলতে ফ্রান্সের সাবেক তিন প্রেসিডেন্ট, ফরাসি মন্ত্রী এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের মধ্যকার যোগাযোগের কথা বলা হয়েছে।
২০১২ সালের প্রকাশিত একটি ফাইলে ইউরোজোন থেকে গ্রিসের সম্ভাব্য বিদায় সম্পর্কে ওলাদের আলোচনা রয়েছে।







