ফেসবুকে আসক্তি তরুণদের চিন্তাশক্তি কমিয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তরুণদের প্রতি সামাজিক মাধ্যমকে সামাজিক কাজে ব্যবহারের আহ্বাণ জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তাদের প্রতি ‘বঙ্গবন্ধু ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ বই দুটি পাঠের আহ্বান জানান।
শনিবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলায়তনে হাসুমনি’র পাঠশালা আয়োজিত “দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের উত্তরণ: তরুণ প্রজন্মের করণীয়” শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। অসাম্প্রদায়িকতার নিরিখে দেশগঠন করাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছিল। দেশে এখন সাম্প্রদায়িকতার মানুষ বাড়ছে। আমাদেরকে এই অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ বের করতে হবে বলে সেমিনারে জানান সমাজকল্যান মন্ত্রী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।
তিনি আরও বলেন, দেশের সর্বস্তরে প্রযুক্তির বিস্তার ঘটছে। যার ফলে অনেক দুর্নীতি কমেছে। তরুণরা দিনে দিনে ডিজিটাইলাইজেশনের আওয়তাভুক্ত হয়েছে। তবে তরুণদের মধ্যে ফেসবুকের আসক্তি বাড়ছে। এই কারণে তরুণদের চিন্তাশক্তি কমে যাচ্ছে। তরুণরা দিনের অধিকাংশ সময় ফেসবুকের মধ্যে থাকে। এখন আর তরুণরা ভালো ভাবে লেখাপড়া মনোযোগী হতে পারছে না।
তিনি বক্তব্যে আশা প্রকাশ করে বলেন, সেই সময়ের রাজনীতির ত্যাগ সম্পর্কে জেনে তরুণরা ভোগবাদী, সহিংসতা, প্রদর্শনবাদী ও আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা থেকে সরে এসে সমাজের স্বার্থে সক্রিয় হবে। ৫২,৬২, ৬৯ কিংবা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তরুণরা ব্যক্তিস্বার্থ ভুলে সমাজের স্বার্থে মাঠে নেমেছিল এবং সমাজকে বন্দী শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছিল বলে তিনি জানান।
হাসুমণি’র পাঠশালার সভাপতি মারুফা আক্তার পপি’র সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মিজানুর রহমান, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আইএমডি বিভাগের সচিব মো: মফিজুর ইসলাম, ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয়ের সমাজকল্যান ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ প্রমুখ।







