ক্লাবের হয়ে খেলতে খেলতেই অনেকটা ক্লান্ত হয়ে যান ফুটবলাররা। ক্লান্তি কমাতে ক্লাবগুলোতে অনেক সময় বেছে নেওয়া হয় রোটেশন পদ্ধতি। কিন্তু জাতীয় দলের খেলার সময় ভাল খেলোয়াড়রা রোটেশনের আওতায় থাকেন খুব কমই। সাম্প্রতিক সময়েও তার ভিন্নতা দেখা যায়নি।
ফিফা বিশ্বকাপের বাছাইয়ে রাউন্ড সিক্সটিন শেষ হয়েছে বুধবার। এই রাউন্ডে জাতীয় দলের মূল একাদশের হয়ে মোট ২২০০ মিনিট মাঠে খেলেছেন বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা। ক্লাবের হয়ে চলতি মৌসুমের শুরুর পর সেটা টানা খেলার মধ্যে থাকার মতই। তাই ফিফা ভাইরাসে রীতিমতো এখন কাবু কাতালান তারকারা।
বার্সেলোনার প্রধান সেনা লিওনেল মেসি উরুগুয়ে এবং ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট করে মাঠে ছিলেন। তার ক্লাব সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৮৩ মিনিট খেললেও প্যারাগুয়ের বিপক্ষে খেলেছেন ৯০ মিনিটই।
বার্সেলোনা ডিফেন্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠা স্যামুয়েল উমতিতিও প্রতিটি মিনিট ছিলেন মাঠে। নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিটই খেলেছেন ফরাসি ডিফেন্ডার। তার মতো ৯০ মিনিট করে জার্মানির গোলবার সামলেছেন কিপার মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন।
বার্সার গুরুত্বপূর্ণ স্প্যানিশ খেলোয়াড়দেরও একই অবস্থা। জেরার্ড পিকে ও সার্জিও বুসকেটস খেলেছেন ৯০ মিনিট করেই। বার্সায় পুরো সময় না খেললেও ইনজুরি আক্রান্ত আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা জাতীয় দলের জার্সিতে দুই ম্যাচে মাত্র ১৮ মিনিট কম খেলেছেন। এছাড়া ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার ইভান রাকিটিচ কসোভের বিপক্ষে খেলেছেন ৫৫ মিনিট।
লা লিগায় বার্সার পরবর্তী ম্যাচ নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী এস্পানিয়লের বিপক্ষে। বার্সার মাঠে যদিও গত আট বছরে কোনও গোল করতে পারেনি এস্পানিয়ল, তবুও কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দেকে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ব্যবহৃত তার প্রধান খেলোয়াড়দের অবশ্যই ফিফা ভাইরাস থেকে মুক্ত করতে হবে।









