১৮৩ রানের কঠিন চ্যালেঞ্জ তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই দুই উইকেট হারানো পাকিস্তান ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল জিতে নিয়েছে ১৯.২ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ফখর জামান ও শোয়েব মালিকের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারায় তারা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: অস্ট্রেলিয়া ১৮৩/৮, পাকিস্তান ১৮৭/৪ (১৯.৪ ওভার)
ফখর ৪৬ বলে খেলেন ৯১ রানের ইনিংস। ১২টি চার ও তিন ছক্কায় সাজানো ইনিংসটি যখন থামে জয় থেকে ৩০ রান দূরে পাকিস্তান। শোয়েব মালিক ৩৭ বলে ৪৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে জয়ের বন্দরে নোঙর করান। ১১ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন আসিফ আলি।
বড় লক্ষ্য টপকাতে নেমে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় পাকিস্তান। অফস্পিনার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের করা প্রথম বলেই (ওয়াইড) সাহেবজাদা ফারহান স্পাম্পড হন। চতুর্থ বলে ক্যাচ তুলে দেন হুসাইন তালাত। দুই ব্যাটসম্যানের কেউই রানের খাতা খুলতে পারেননি।
পরে ওপেনার ফখরকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন সরফরাজ আহমেদ। রানের গতি বাড়িয়ে দিয়ে অধিনায়ক আউট হন দলীয় ৪৭ রানে। রান আউট হওয়ার আগে করে যান ১৯ বলে ২৮ রান।
বাকি সময়টা কেবলই ফকর-মালিক জুটির। চতুর্থ উইকেটে তাদের গড়া ১০৭ রানের জুটি ঘুরিয়ে দেয় ম্যাচের কক্ষপথ। ১৬তম ওভারের শেষ বলে ফকর আউট হলে ভাঙে জুটিটি। ততক্ষণে অবশ্য পাকিস্তানের জয় কেবল সময়ের ব্যাপার হয়ে যায়।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়া পায় উড়ন্ত সূচনা। অ্যারন ফিঞ্চ ও ডি আরচি শর্টের ৯৫ রানের ওপেনিং জুটির পর তাদের বড় সংগ্রহ অনুমিতই ছিল। দারুণ ফর্মে থাকা ফিঞ্চ ইনিংসের দশম ওভারে ২৭ বলে ৪৭ রান করে ফিরলে ভাঙে ওপেনিং জুটি।
আরও বেশ কিছুক্ষণ টিকে থাকা শর্ট ৫৩ বলে ৭৬ করে সাজঘরে ফেরেন। অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দুইশ ছাড়িয়ে যেতে পারতো। সেটি সম্ভব হয়নি নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয়। শেষ ৬০ বলে ৮৮ রান তুলতে ৮ উইকেট হারায় তারা।
৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন মোহাম্মদ আমির। শাদাব খান নেন দুটি উইকেট।
প্রথম দেখায় অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৯ উইকেটে হেরেছিল পাকিস্তান। পরের ম্যাচ জিতেই আবার ছন্দে ফেরে তারা। তৃতীয় দেখায় ফাইনালে জয় হলো পাকিস্তানেরই। স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে ডাবল লিগ পদ্ধতির এ টুর্নামেন্টে চার ম্যাচেই হেরে বিদায় নেয়।








