সিরাজগঞ্জের বিএডিসির পানাসি প্রকল্পে নতুন আসা বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের সংযোগ নিচ্ছেন গভীর নলকূপ মালিক। তাদের অভিযোগ, এ মিটারের কারণে তাদের অতিরিক্ত খরচ গুনতে হবে। এদিকে সঠিক সময়ে বোরো জমিতে সেচ দিতে না পেরে সংকটে পড়েছেন প্রায় ৩ হাজার কৃষক পরিবার।
জেলার সবখানেই কৃষকের ব্যস্ততা বোরো রোপন মাঠে। তবে পানাসি প্রকল্পের আওতায় কাজিপুরের ২৭টি ও সদর উপজেলার ৮৭টি গভীর নলকূপের আওতাধীন কৃষক এখনও শুরু করতে পারেনি বোরো আবাদ। একারণে প্রায় আড়াই হাজার বিঘা জমিতে বোরো আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
কৃষকরা বলছেন, আমরা ক্ষেতে পানির জন্য গভীর নলকূপ মালিকদের বলেছি, তারা টাকা বেশি চাচ্ছে। আমরা প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর কাছে আবেদন করবো অল্প খরচে কৃষক যেনো আবাদ করতে পারি।
গভীর নলকূপ মালিকদের অভিযোগ, বিএডিসি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি করেছে সেচ ব্যয়। এছাড়া প্রিপেইড মিটার লাগানোর কারণে লোকসানের আশংকায় কৃষকদের পানি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
নলকূপ মালিকরা বলছেন, প্রি-পেইড মিটারে আগে ৩০ টাকায় শতক জমি আবাদ করতে পেরেছি এখন সেটা ৬০ থেকে ৭০ টাকা খরচ হচ্ছে।
বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএডিসি’র স্থানীয় নির্বাহী প্রকৌশলী পংকজ কর্মকার। তিনি বলেন, গভীর নলকূপ মালিকরা চাচ্ছেন ঘন্টা ভিত্তিতে না চালিয়ে ভাড়া ভিত্তিতে চালাবেন, কিন্তু এটার কোনো সুযোগ নেই। কৃষিমন্ত্রীর নির্দেশেই প্রি-পেইড মিটারগুলো স্থাপন করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত না দিলে ভাড়া ভিত্তিকে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
এ ব্যাপারে জরুরি সরকারি উদ্যোগ দাবি করেছেন ভুক্তভুগীরা।






