যে কোনো দুর্যোগ মোকাবেলার মতো সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস এর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য প্রয়োজন দেশকে সবুজ বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে ফেলা।
ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ হিসেবেই
পরিচিত। যেখানে প্রতিনিয়ত ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, খরা, জলাবদ্ধতা,
নদীভাঙন, টর্নেডোসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের জীবন-জীবিকা পড়ে হুমকির মুখে।
শঙ্কা রয়েছে বড় ধরনের ভূমিকম্পের।
আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার যে তৎপর ও ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে পারবে তাই তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আগামীতে কখনো বাংলাদেশের মানুষ যেন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেই পদক্ষেপ নিবো। এরই মধ্যে আমাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলি সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। আমরা যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি সেসব আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ব্যবহার করা হচ্ছে। দুর্যোগ আসবে এবং সেটা মোকাবেলা করার জন্য বাংলাদেশের মানুষ সদাপ্রস্তুত থাকবে সেটাই আমার আহ্বান। ঝড়-ঝাপ্টাতো আসবেই, সেটা আমরা মোকাবেলাও করতে পারবো সাহসের সঙ্গে সেই সক্ষমতা আমাদের হয়েছে।
আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বছরজুড়ে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলার পাশাপাশি আপদের সময় জরুরি প্রয়োজন মেটাতে পারে তেমন পরিকল্পিত ভাবে গড়ে তোলার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, রামপাল প্রকল্প যেটা নিয়ে এত আলোচনা, সেখানে পাঁচলাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে সবুজ বেষ্টনী তৈরির জন্য এবং কার্বন শোষণের জন্য। নৌবাহিনীকে আমি সবসময় বলি, যেখানেই যাবে সেখানেই সবুজ বেষ্টনী করবে। বরিশালে নতুন ডিভিশন করেছি, সেটা করার আগেই সেনাপ্রধানকে বলেছি আগে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। ঘুর্ণিঝড়-জলোচ্ছাস থেকে বাঁচার একটাই পথ, সেটা হলো দেশকে সবুজ বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে ফেলা। সেজন্য কিছু পদক্ষেপ আমাদের নিজেদেরও নিতে হবে।
এর আগে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৫৩টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র এবং ১শ’টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।










