অনেক আলোচনার পর প্রত্যাশার চাপ মাথায় নিয়ে সেরা একাদশে সুযোগ পেলেন নাসির হোসেন।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নাসিরকে রেখেই সেরা একাদশ
সাজিয়েছে বাংলাদেশ।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে অপ্রত্যাশিত হারের পর
দর্শক-সমর্থক থেকে শুরু করে প্রায় সবারই প্রত্যাশা ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে সেরা
একাদশে থাকবেন নাসির। সেই প্রত্যাশার বাস্তব ফলের দেখা মিললো এই ম্যাচের স্কোয়াডে।
দলে থেকেও মূল একাদশে থাকছেন না ‘দ্য ফিনিশার’ খ্যাত এ অলরাউন্ডার। বারবার স্কোয়াডে সুযোগ হলেও কোনো এক অজানা কারণে সেরা একাদশে উপেক্ষিত। সবশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেও সময় কেটেছে ডাগআউটে বসে।
ফিল্ডিং
ছাড়াও লোয়ার অর্ডারে নাসিরের অভাব সবচেয়ে অনুভূত হয়েছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেট হাতে রেখে
৫২ বলে ৩৯ রান করতে না পেরে উল্টো ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়
বাংলাদেশের লোয়ার অর্ডার। হেরে যায় ২১ রানে।
লোয়ার অর্ডারে
ব্যাটিংয়ের নির্ভরতার যিনি প্রতীক হতে পারতেন সেই নাসিরও রয়েছেন দারুণ
ফর্মে। গত প্রিমিয়ার লীগে ৭২ গড়ে ৫ শতাধিক রান করেন। প্রস্তুতি ম্যাচেও এই
ইংলিশের বিপক্ষে ৪৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। তাই প্রথম ম্যাচের পর দর্শক-সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল নাসির দলে ফিরবেন। যদিও নাসির হোসেনের ফেরা নিয়ে শনিবার বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন নেতিবাচক কথাই শোনান। পাপন বলেন, ‘নাসির খেলবে কোথায়, কার জায়গায়’।
কিন্তু
সমর্থকদের চোখে নাসিরকে খেলানোর জায়গা ঠিকই আছে। প্রথম ম্যাচে মোশাররফ
রুবেলকে দিয়ে মাত্র ৩ ওভার বোলিং করানো হয়েছিল। ইংল্যান্ড দলের
গুরুত্বপূর্ন কয়েকজন ব্যাটসম্যান বাঁহাতি। এই বিবেচনায় নাসিরের অফ স্পিনটাও
খুব কার্যকর হতে পারে। শেষ পর্যন্ত সেটা বিবেচনায় নিল টিম ম্যানেজমেন্ট।
নাসির সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছেন প্রায় এক বছর আগে। ১১
নভেম্বর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচে মূল একাদশে
ছিলেন নাসির। সেই ম্যাচে অবশ্য কোনো রান করতে পারেননি। তবে বল হাতে উইকেট
পেয়েছিলেন এই অলরাউন্ডার।
এছাড়া টি-টুয়েন্টির সেরা একাদশে ছিলেন চলতি
বছর বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে ৩ রান
করার পাশাপাশি ২ ওভার বল করে একটি উইকেট নিয়েছিলেন নাসির। তাছাড়া টেস্ট
দলেও সুযোগ হচ্ছে না অনেক দিন। সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন গত বছরের আগষ্টে সাউথ
আফ্রিকার বিপক্ষে।







