পোপ ফ্রান্সিসের মিয়ানমার সফরকে ঘিরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নানা প্রত্যাশা জন্ম নিয়েছে। মিয়ানমার সফর শেষ করে বাংলাদেশে আসার খবরেও আশার আলো জ্বলছে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ক্যাম্পে। বিশেষ করে রোহিঙ্গারা তাদের ঘরে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক কিছু দেখতে চান। এ কারণে তারা পোপ ফ্রান্সিসের সফরকে খুব গুরুত্ব সহকারে দেখছে।
উখিয়ার বালুখালীর ক্যাম্প মাঝি আয়ুবুল ইসলাম বলেন, পোপ খ্রিস্টান ধর্মের অনেক বড় ধর্মীয় গুরু, তাই আমরা আশা করছি ওনার কথা মিয়ানমারসহ বিশ্বের সবাই শুনবে। তিনি চাইলে আমাদের জন্য মিয়ানমারে শান্তি স্থাপন করে দিতে পারেন। আমরা চাই তিনি আমাদেরকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহযোগিতা করবেন।
তিনি বলেন, আমরা আশা করছি এ অঞ্চলে শান্তি ফেরাতে পোপ ফ্রান্সিসের মিয়ানমার আর বাংলাদেশ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ধর্মীয় গুরু আমাদের জন্য শান্তির বার্তা বয়ে আনবেন।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানিয়েছেন, পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশে আসার পর রোহিঙ্গাদের দেখতে কক্সবাজার আসতে না পারলেও রোহিঙ্গাদের একটি প্রতিনিধি দল তার সাথে দেখা করবেন। বুধবার বিকেলে রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দলকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
তিন দিনের এই সফরে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করবেন পোপ ফ্রান্সিস। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যোগ দেবেন বিশেষ প্রার্থনায়। আগামী ২ ডিসেম্বর বিকেলে রোমের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন তিনি।









