বাজারে পেঁয়াজসহ অন্যান্য মসলার দাম সহনশীল পর্যায়ে রয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন।
তিনি বলেন, গতবারের তুলনায় এবার দাম কিছুটা কম রয়েছে। তবে, মসলার বাজার যাতে অসহনীয় পর্যায়ে না যায় সেজন্য বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার এলাকায় কাঁচাবাজারে মসলার পাইকারী দোকান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
এ সময় মেয়রের সঙ্গে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ও ডিএসসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কিন্তু রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজের কেজি পাইকারি বাজারে ৫৫, আর খুচরা বাজারে ৬০ টাকা। আদা কেজিতে ৮০ থেকে ৯০ ও রসুন ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক মাসের ব্যবধানে এই তিন মসলায় কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা করে বেড়েছে।
এক মাস আগে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৪০ টাকা। একই সময়ে আদার কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা আর রসুনের কেজি ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা।
সাঈদ খোকন বলেন, আজকে (বৃহস্পতিবার) পাইকারির বাজার যাচাই বাছাই করে দেখলাম, বিভিন্ন মসলা যেমন পেঁয়াজ, রসুন থেকে শুরু করে অন্যান্য দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এমনকি, বেশির ভাগ মসলার দাম গত বছরের তুলনায় এ বছর কিছুটি হলেও কম রয়েছে।
গত বছরের মত আদার দাম একই রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এগুলোর তালিকা তৈরি করেছি। এ তালিকা খুচরা বাজারে টাঙিয়ে দেব। মসলার দাম যে পরিমাণ সহনীয় পর্যায়ে আছে সেটা ঈদ পর্যন্ত এবং ঈদের পরেও বিদ্যমান রাখতে ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশেনের উদ্যোগে ব্যবস্থা নেব।
মেয়র বলেন, ঈদ উপলক্ষ্যে ডিএনসিসি এবং ডিএসসিসি এলাকায় মসলার বাজার যাতে স্থিতিশীল থাকে সেজন্য প্রতিটি অঞ্চলে মনিটরিং করা হবে। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে কাঁচা বাজারগুলোতে মনিটরিং করা হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যতটুকু পর্যালোচনা করেছি তাতে মসলার যথেষ্ট সরবরাহ রয়েছে। ঈদে মসলার দাম বাড়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
কোরবানির পশুর কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে সাঈদ খোকন বলেন, কোরাবানির হাটের প্রস্তুতি চলছে। আমরা বিভিন্ন সূত্র থেকে নিশ্চিত হতে পেরেছি এবার অনেক বেশি পশু রয়েছে। বিশেষ করে দেশি-বিদেশি ছাগলের সরবরাহ রয়েছে। ফলে গতবারের মত এবারও পশুর দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।
ঈদ কেন্দ্রীক বাজারে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বাজার কেন্দ্রীক চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব। আমরা আশা করছি এটা নিয়ন্ত্রণ রাখতে তারা সক্ষম হবে।







