ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে ব্রাসেলসে জরুরি বৈঠকে আছেন ন্যাটো সদস্যরা। পূর্ব ইউরোপে সামরিক শক্তি দ্বিগুণ করার ঘোষণা দিয়েছে এ সামরিক জোট।
নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই আরও সামরিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলনস্কি। ইউক্রেন যুদ্ধে ন্যাটো জড়ালে পরিণাম ভয়াবহ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ক্রেমলিন। ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে অভিযান আরও জোরদার করেছে রুশ বাহিনী।
দীর্ঘ একমাস ইউক্রেনে চলছে রুশ সামরিক অভিযান। যুদ্ধ বন্ধে চলছে একের পর এক আলোচনা-বৈঠক। এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে জরুরি বৈঠকে বসে ন্যাটো সদস্যরা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ বিশ্ব নেতারা বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে পূর্ব ইউরোপের চেকোশ্লাভিয়া, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি ও রোমানিয়ায় নতুন করে সেনা পাঠানোর কথা জানিয়েছেন ন্যাটো মহাসচিব। আর ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে লড়তে আরও সামরিক সহায়তা চেয়েছেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে লড়াই চলছে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে। খরাকিভের ইজিয়াম শহর দখলে নেওয়ার দাবি করেছে রুশ সেনারা। বন্দরনগরী বেরদিয়ানস্কে রাশিয়ার একটি বড় ধরনের জাহাজ ধ্বংসের পাল্টা দাবি করেছে ইউক্রেনীয় সেনারা। ইউক্রেন যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭ থেকে ১৫ হাজার রুশ সেনা নিহত হওয়ার দাবি করেছে ন্যাটো।
ইউক্রেনে রুশ সেনাদের যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে হোয়াইট হাউস। চেরনিহিভ শহরের দেড় লাখ বাসিন্দাকে কার্যত জিম্মি করে রেখেছে রুশ বাহিনী। এ অভিযোগ করেছে ইউক্রেনীয় মানবাধিকার সংস্থা। এদিকে নতুন করে রাশিয়ার ৬৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য।








