পিলখানা হত্যা ছিলো একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে দেশের সব থেকে চৌকস ও অভিজ্ঞ সেনা কর্মকর্তাদেরকে কৌশলে হত্যা করিয়েছিলো। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার করবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্তিত করবে।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় দলটির নেতারা এসব কথা বলেন। ’পিলখানা ট্রাজেডি: সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ লেবার পার্টি।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার থেকে নির্মম বেদনার ঘটনা আর হতে পারে না। এটি একটি সুদূর প্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ ছিলো। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক শাসন ফিরিয়ে আনবে এবং পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার করবে। প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি দেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, সরকারের ব্যর্থতার কারণে সেদিন এতগুলো প্রাণ হারিয়েছি আমরা। সরকার তখন সঠিক পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিলো। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী আরো দ্রুত পৌঁছালে নিহতের সংখ্যা আরও কম হতো।
দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগ যতোবার ক্ষমতায় আসে, ততোবারই বড় সব দুর্ঘটনার জন্ম দিয়ে থাকে। বিডিআরকে অরক্ষিত করতে এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের দুর্বল করতে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছিলো।
এটি ক্ষমতাসীন সরকারের ষড়যন্ত্রের একটি অংশ ছিলো উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এই কারণে বারবার বলার পরও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হয়নি। উচ্চ পর্যায়ের যারা জড়িত ছিলেন তাদেরকে চিহ্নিত করা হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে পক্ষপাতমূলক প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ক্ষমতাসীনদের দুঃশাসনের ফলেই এমনটি সম্ভব হয়েছিলো।
দলটির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের অনেক মন্ত্রী পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলো। ২৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করা হচ্ছে না, কারণ ঘটনাটির সাথে এই সরকার জড়িত।








