রিয়াল মাদ্রিদ বনাম পিএসজির মারকাটারি ম্যাচের আগে প্রতিপক্ষ আহত নেইমারকে এক আবেগঘন বার্তা পাঠিয়েছেন মার্সেলো। জাতীয় দলের সতীর্থের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আমি জানি, তোমার মাথার মধ্যে এখন কি ছবি কাজ করছে।’
মার্সেলোর বার্তার পাশাপাশি নিজেদের ঝামেলা ভুলে গোপন সভা করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং সার্জিও রামোস। এই ম্যাচে কোন দল খেলা উচিত, তা নিজেরাই ঠিক করেছেন তারা। সেখানে তারা ঠিক করেছেন, ইসকোর বদলে আসেনসিওকে খেলানোর কথা বলা হবে জিদানকে।
লুকা মদ্রিচ ও টনি ক্রুস খেলতে পারবেন কি না সেটা নিয়ে মারাত্মক চিন্তায় ছিলেন রিয়াল কোচ জিদান। তবে শেষ পর্যন্ত দুজনকে নিয়েই নিজের পুরনো শহর প্যারিসে পৌঁছেছেন তিনি। তবে লুকা ও টনি খেলতে পারবেন কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়, তাই মাঝমাঠে জিজুর প্রধান অস্ত্র কাসেমিরো। আর মাঝমাঠ নিয়ে কোচের মত চিন্তায় আছেন রোনালদো-রামোসও।
প্যারিসে রোনালদো আটকাতে একজোট হয়েছে ব্রাজিলিয়ান-আর্জেন্টাইনরা। আগের ম্যাচে উপেক্ষিত অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া, হাভিয়ের পাস্তোরে, লো সেলসোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা দানি আলভেজ, থিয়াগো সিলভা ও মারকুইনোস। সেই সঙ্গে উরুগুয়েন এডিনসন কাভানি।
দ্বিতীয় লেগের এই ম্যাচের আগে নানা ঘটনা তাতাচ্ছে। প্রথম লেগে ৩-১ গোলে জেতায় রিয়ালকেই এগিয়ে রাখছে সবাই। তবে গতবছর মেসি-নেইমার-সুয়ারেজদের বার্সেলোনাকে ঘরের মাঠে ৪-০ যেভাবে হারিয়েছিল পিএসজি সেটাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন অনেকে।
শুধু বার্সা ম্যাচই নয়, পিএসজির কাছে মোটিভেশন ২৫ বছর আগের এক স্মৃতি। সেবার এই ৩-১ গোলে এগিয়ে থেকেই প্যারিসে খেলতে গিয়েছিল রিয়াল। কিন্তু ওই ম্যাচে ১-৪ গোলে হেরেছিল লস ব্লাঙ্কোসরা। আধুনিক ইতিহাসে এটা রিয়ালের সবচেয়ে বাজে হার।
পিএসজির সঙ্গে ব্রাজিলিয়ানদের একটা ভাল সম্পর্ক রয়েছে। সেটা রিয়ালের চেয়েও বেশি। রিয়ালের এত বছরের ইতিহাসে যেখানে ২৪ জন ব্রাজিলিয়ান খেলেছেন। সেখানে ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত পিএসজিতে এ পর্যন্ত খেলেছেন ৩১জন ব্রাজিলিয়ান। নেইমারহীন দলেও পিএসজির প্রধান অস্ত্র ব্রাজিলিয়ানরা। সিলভা, আলভেজ, মারকুইনহোসরা আছেন। তবে রিয়াল ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান ইতিহাস নয়, প্যারিস জায়ান্টদের তাতাচ্ছে ২৫ বছর আগের ইতিহাসই।









