বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত সদস্য মনোরঞ্জন হাজং গাড়িচাপায় গুরুতর আহত হয়ে পা হারানের ঘটনায় ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ তিনজনকে আসামি করে মামলা হয়। তবে মামলায় ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ আসামি করা নিয়ে মনোরঞ্জনের ছেলের করা রিট শুনে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। আগামি ১০ দিনের মধ্যে বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। তার সাথে ছিলেন আইনজীবী মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম।
গত ২ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর বনানীতে গাড়িচাপায় মারাত্মক আহত হন ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মহুয়া হাজংয়ের বাবা বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত সদস্য মনোরঞ্জন হাজং। এঘটনায় মনোরঞ্জন হাজংয়ের মেয়ে সার্জেন্ট মহুয়া হাজং বনানী থানায় মামলা করতে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সে মামলা নেয়া হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সংবাদমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠলে দুই সপ্তাহ পর মামলাটি নেয় পুলিশ। সড়ক পরিবহন আইনে করা সে মামলায় গাড়ির চালকসহ অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে মহুয়া হাজং অভিযোগ করেছেন, ঢাকা মেট্রো ঘ–১৫–৪৯০৬ নম্বরের ব্যক্তিগত গাড়ির চালক অপর দুই সহযোগীর কথায় বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে আমার বাবার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেন। তবে এই মামলার দুই দিন আগেই অভিযুক্ত গাড়িচালকের জিডি গ্রহণ করে পুলিশ। যেখানে দুর্ঘটনার জন্য মনোরঞ্জন হাজংকেই দায়ী করা হয়। একপর্যায়ে দুর্ঘটনায় আহত মনোরঞ্জন হাজংয়ের ডান পা কেটে ফেলতে হয়েছে। তার বাম পাও ক্ষতিগ্রস্ত। প্রথমে তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হলেও পরে বারডেমে স্থানান্তর করা হয়। এখন তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।







