মনসুর আহম্মেদ: স্থানীয়দের দাবির মুখে শনিবার পুনরায় শুরু করা উদ্ধার অভিযানে আরো দু’জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলাতে মাটি চাপা পড়া অবস্থায় লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
উপজেলার ইউএনও রাশেদ ইকবাল চৌধুরী চ্যানেল আই অনলাইনকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সিদ্দিকুর রহমান রাঙামাটির পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের বলেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে রাস্তায় হালকা যোগাযোগব্যবস্থা সচল করা হবে। একমাসের মধ্যে পুরোপুরি যোগাযোগব্যবস্থা ঠিক করা হবে। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ঘটনায় নিহতদের উদ্ধার তৎপরতা শুক্রবার আনুষ্ঠানিক সমাপ্ত ঘোষণা করা হলেও স্থানীয় লোকজনের দাবির মুখে শনিবার সকালে আরো মরদেহের সন্ধানে আবারও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক গোলাম মোস্তফা জানান, পাহাড় ধসে নিহতদের মরদেহ পানিতে ভাসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে তারা আবারও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন
পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়ক, রাঙামাটি-বড়ইছড়ি ও রাঙামাটি-কাপ্তাই সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো বিছিন্ন রয়েছে। সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মীরা রাস্তার যোগাযোগ পুন:স্থাপনের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
রাঙামাটির ১২টি আশ্রয় কেন্দ্রে এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। সেনাবাহিনী আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে পানি ও খাবার সরবরাহ করছে। শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও রাঙামাটি কাপ্তাই পানি পথে সীমিত পণ্য পরিবহন শুরু করা হয়েছে।
সম্প্রতি দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য এলাকায় দুইদিনের অবিরাম বৃষ্টিপাতে পাহাড় ধসে পাঁচ সেনা সদস্যসহ দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটে।







