চট্টগ্রামে পাহাড় ধস ও পাহাড় ক্ষয়রোধ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে জাদুর ঘাস নামে খ্যাত পাহাড়ে বিন্না ঘাস লাগানো কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে।
সম্প্রতি নগরের টাইগারপাস এলাকায় ভেটিভার সেন্টার প্রকল্প নামে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন থাইল্যান্ডের রাজকন্যা মাহাচকোরি শ্রীনীধরণ।
চট্টগ্রাম সিটি মেয়রসহ বুয়েটের বিজ্ঞানীরা আশা করেন, চট্টগ্রামের পাহাড়ে বিন্না ঘাস লাগালে পাহাড় ধস ও ক্ষয়রোধ সহ পরিবেশ সহায়ক কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রামের পাহাড়গুলোতে অতি মাত্রায় বেলে মাটি থাকায় বৃষ্টির সাথে সাথে মাটি ও বালি এক সাথে নেমে এসে নালা নদর্মা ভরাট হয়ে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এছাড়া প্রতিনিয়ত পাহাড় ধসে ব্যাপক প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে।
এ পরিস্থিতিতে বুয়েটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামের উদ্ভাবিত আলোচিত বিন্না ঘাস চট্টগ্রামের পাহাড়গুলোতে লাগানোর উদ্যোগ নেয়া হয়। এতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন থাইল্যান্ডের রাজকন্যা পরিচালিত সাইফাততানা ফাউন্ডেশন।
ড. শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বেড়ি বাঁধ রক্ষা, পাহাড় ধস ঠেকানো, নদী ভাঙন রোধ সহ আবহাওয়া উপযোগী বিন্না ঘাসের শিকড় ৮থেকে ১০ফুট মাটির গভীরে চলে যায়। অত্যন্ত প্রতিকূল পরিবেশেও এ ঘাস বেঁচে থাকে।
চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আজম নাছির উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে টাইগার পাস এলাকায় বিন্না ঘাসের পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। একইসাথে গরীব উল্লাহ শাহ মাজার সংলগ্ন পাহাড়, খুলশী পাহাড়, টাইগারপাস সংলগ্ন ২ সহ ৪টি পাহাড়ে বিন্নাঘাস লাগানো হবে।
ফলাফল আশানুরূপ হলে চট্টগ্রামে পাহাড় ধস ও পাহাড় ক্ষয় রোধ বন্ধ হবে বলে আশা করেন তিনি।
বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ তার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ প্রকল্পে সহায়তা দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি থাইল্যান্ডের রাজকন্যাকে এবিষয়ে সহযোগিতা দেয়ার জন্য বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানান।
বিস্তারিত দেখুন চৌধুরী ফরিদের ভিডিও রিপোর্টে








