বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও, তা কয়েক দফা পিছিয়ে শুরু হয় ১০ টা ৫০ মিনিটে। আলাদা ওই দুই পদের জন্য মোট ২০৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শনিবার ছাত্রলীগের ২৮তম কাউন্সিল শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় ও শেষদিন আজ রোববার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ভোট গ্রহণ।
কাউন্সিলের নির্বাচন পরিচালনা কমিশনার সুমন কুণ্ডু জানিয়েছেন, সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণের কথা থাকলে সেটা হয়নি। তবে ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি আমরা সম্পন্ন করেছি।
সকাল ৯টার দিকেই ব্যালট বাক্স এসে জমা হয় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে ভোটকেন্দ্রে, তৎপরতা দেখা গেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যেও। পদপ্রার্থীদের অনেকেই এখনো নির্বাচনকেন্দ্রে এসে না পৌঁছালেও সর্মথকদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
নির্বাচন পরিচালনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে মোট ২৪২টি। সভাপতি পদে ৮০টি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৬২টি মনোনয়ন বিক্রি হয়।
যাচাই-বাছাই শেষে কমিশন সভাপতি পদে ৬৪ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৪২ জনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দিয়েছে।
নির্বাচনে মোট ভোটার দুই হাজার ৯৭৫ জন।






